যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথা হয়ে উঠছে উত্তর কোরিয়া

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:০৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যখন স্টেট অফ দ্য ইউনিয়নে ভাষণ দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই বিস্ফোরণটি ঘটিয়ে পিয়ংইয়াং জানান দিয়েছে, এটা আসলে কার জন্য। উত্তর কোরিয়া তৃতীয় দফা এবং এযাবত্ সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী আণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর পর ওবামা একে জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হিসেবে দেখছেন। খবর ডয়েচে ভেলের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুপ্তচর বিভাগ ধারণা করছে, উত্তর কোরিয়া একটি ছোট আণবিক বোমা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই বিস্ফোরণটা আগের দু’টোর মতো প্লুটোনিয়াম দিয়ে ঘটানো হয়েছে, না উত্তর কোরিয়ার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণে সফল হয়েছে তা বুঝতে কয়েকদিন সময় লেগে যাবে। বিস্ফোরণের পর দক্ষিণ কোরিয়া তার বিমান ও জাহাজ পাঠিয়ে, এবং জাপান জঙ্গি বিমান উড়িয়ে বাতাসের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছে, যাতে উত্তর কোরিয়া বোমা তৈরির পথে কতোটা এগিয়েছে সেটা বোঝা যায়। যদিও ওবামা উত্তর কোরিয়ার ‘‘অতিমাত্রায় প্ররোচনামূলক পদক্ষেপের” কথা বলেছেন। কিন্তু তিনিও জানেন, চীন যদি আরো কডা পন্থা না ধরে, তাহলে শুধু আন্তর্জাতিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ভয় দেখিয়ে উত্তর কোরিয়াকে নিরস্ত করা যাবে না। তবে বেইজিংয়ের ধৈর্যও ফুরিয়ে আসছে, এমন লক্ষণ দেখা দিয়েছে। ওদিকে, উত্তর কোরিয়া আসলে কী বলতে চাইছে, সেটাও বিশেষজ্ঞদের কাছে অস্পষ্ট। কোরিয়া বলছে, তার পরমাণু বোমা কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত ইস্যুগুলোর সমাধান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দিয়ে নয়, একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।