তরুণদের পছন্দের তালিকায় কমার্স বিশেষায়িত কলেজ

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:১৭
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ক্যারিয়ার দৌড়ে তরুণদের পছন্দের তালিকায় সবার আগে থাকে কমার্স বিষয় তথা সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত কলেজ। ফলে বাড়ছে কমার্স বিশেষায়িত কলেজের সংখ্যাও। তবে দেশে ব্যবসায় শিক্ষা প্রসারে যে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে তন্মধ্যে গুলশান কমার্স কলেজ একটি। কমার্স পাবলিকেশন্সের স্বত্বাধিকারী এমএ কালামের উদ্যোগে এমএ কালাম শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীনে ঢাকার গুলশান বাড্ডায় ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই কলেজ। ২০০৫ সালে এর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এমএ কালাম দেশের ব্যবসায় শিক্ষা প্রসারে নেতৃত্ব দানকারী ব্যক্তিদের সমাবেশ ঘটিয়েছেন এ কলেজে। এই কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের ব্যবসায় শিক্ষার পথিকৃত্ হিসেবে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান, বিজনেস স্ট্যাডিজ অনুষদের সাবেক ডিন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা প্রফেসর মো. মঈনউদ্দীন খান এবং প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব হাবিবুর রহমান। এ ছাড়াও কলেজটির পরিচালনা ও নির্দেশনায় যারা রয়েছেন তাদের অন্যতম হলেন; বহু অ্যাকাউন্টিং গ্রন্থের প্রণেতা লালমাটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্ট্যাডিজ ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর এবং বিভিন্ন বইয়ের লেখক ড. এম আতাউর রহমান, ঢাকা সিটি কলেজের সাবেক প্রফেসর এবং কমার্স বিষয়ক বহু পুস্তকের লেখক হেলাল উদ্দিন এফসিএ, ডিজি মাউশি-এর উপ পরিচালক এবং বিএম কলেজের প্রাক্তন প্রফেসর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর সাহাতাব উদ্দিন, প্রফেসর এ আর খান রানা, প্রফেসর রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, পপি লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী নাহরিন পপিসহ দেশে কমার্স শিক্ষায় অগ্রজ আরও অনেকে। এই নিয়ে কৌতূহল মেটাতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরগুলোতে ৯৮৯৯৯৮৮, ০১৯১৬৭৫৯৮০০। এখানে ক্লাসের পড়া ক্লাসেই আদায় করা হয় এবং আছে বাধ্যতামূলক ফ্রি কোচিংয়ের ব্যবস্থা ও সপ্তাহ অন্তর টিউটোরিয়াল পরীক্ষা, সার্বক্ষণিক মনিটরিং এবং রেজাল্ট পর্যালোচনা করে অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যবস্থা। আর সুযোগসুবিধার মধ্যে রয়েছে- শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পাঠকক্ষ, বাধ্যতামূলক বেসিক ইংলিশ কোর্স ও কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগসহ মেধাবীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াসহ বিভিন্ন সুযোগ। এ ছাড়াও রয়েছে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ লাইব্রেরি। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :গ-৯৭ ও গ-১০৯, প্রগতি সরণি, মধ্য বাড্ডা, ঢাকা। এ ছাড়া নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নানা ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ কলেজটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বিভিন্ন কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা যত জিপিএ নিয়ে এসএসসি পাস করেছিল, উচ্চ মাধ্যমিকে তাদের গড় ফলাফল তার চেয়ে খারাপ। কিন্তু গুলশান কমার্স কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জিপিএ এসএসসির তুলনায় উন্নীত হয়েছে। অধ্যক্ষ এমএ কালাম বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠিত আভ্যন্তরীণ, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষার ফলাফল পরবর্তী উত্তরপত্র বিশ্লেষণ শীর্ষক বৈঠকের ফলে শিক্ষার্থীরা নিজের অবস্থান তথা দুর্বলতাগুলো সহজেই বুঝতে পারে এবং নিজেকে প্রস্তুত করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে এবং প্রতিযোগিতা মূলক পড়ালেখা করে। ফলে দুর্বল বা পিছিয়ে পড়া ছাত্রটিও ভালো ফলাফল অর্জন করে।’