প ড়া র ব ই
বৃষ্টির ঠিকানা
লেখক :মুহম্মদ জাফর ইকবাল
বইয়ের কথা :মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘বৃষ্টির ঠিকানা’ উপন্যাসটি একটি বালিকার নিঃসঙ্গ জীবনকাহিনী। একটি ছোট্ট মেয়ে যখন তার সমবয়সী ছেলেমেয়েদের সাথে খেলাধুলা করে বেড়াবে সেখানে তাকে একটি সাজাপ্রাপ্ত আসামির মতো বদ্ধঘরে বন্দী হয়ে থাকতে হয়। কিন্তু মেয়েটির মনে আছে সকল নিয়ম ভাঙার প্রত্যয় যা তার একজন স্কুল শিক্ষিকার সাহায্যে বাস্তবে রূপদান করা সম্ভব হয়।
কেন পড়বেন :অবশেষে তার বাবার প্রতি তার আকুল ভালোবাসা এবং বাবার মেয়েকে কাছে রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ের কাছে যেন নিষ্ঠুর প্রকৃতির নিয়মের বেড়াজাল ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়।
---
দে খা র ছ বি
জীবন থেকে নেয়া
কাহিনী, প্রযোজনা এবং পরিচালনা :জহির রায়হান
ছবির কথা : পরিচালক একটি পরিবারের এক সার্বভৌম মহিলাকে চিহ্নিত করেছেন তত্কালীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ূব খানের রাজনৈতিক একনায়কতন্ত্রের রূপক অর্থে। দুটি সমান্তরাল কাহিনী একসাথে দেখানো হয়েছে ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে। ছবিতে ১৯৬৯-এর গণভ্যুত্থানের কিছু তথ্যচিত্র দেখানো হয়েছে।
কেন দেখবেন :সংগ্রামের চরম পরস্থিতির সময় ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পিছনে বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে এই ছবির।
----
ত থ্য ক ণি কা
শহীদ মিনার
ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ২১ ও ২২ তারিখে ভাষার দাবিতে শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার তৈরির কাজ শুরু করে। কাজ শেষ হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে। ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙে ফেলে। অবশেষে, বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়। এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে। ১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকারের মুখ্যমন্ত্রিত্বের আমলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বর্তমান স্থান নির্বাচন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
----
ফ্যা শ ন
ফ্যাশনে একুশ
বাঙালির জীবনের অন্যতম একটি গৌরবের মাস ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে রক্ত দিতে হয়েছিল রফিক, বরকত, জব্বারদের। প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল জাতি। শেষ পর্যন্ত ছিনিয়ে এনেছিল মাতৃভাষার অধিকার। তাই দিনটি আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা স্নাত হয়।বিভিন্ন আঙ্গিকে বরণ করার জন্য চলে ব্যাপক আয়োজন। তেমনি একটি আঙ্গিক ফ্যাশন জগত্। ভাষা দিবসকে চিরজাগ্রত করার জন্য ফ্যাশন ট্রেন্ডে চলে ব্যাপক আয়োজন। শার্ট, টি-শার্ট , পাঞ্জাবি, ফতুয়া কিংবা শাড়িতে ভাষাদিবসের প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়। দেখে যেন মনে হয় চলমান ক্যানভাস। জাগ্রতকরে যাচ্ছে ভাষা দিবসের ইতিহাসকে।
