কোন পদক্ষেপ নেই, ভাঙ্গন উত্কণ্ঠায় গঙ্গাচড়াবাসী

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:১২
গতবছরের ভাঙ্গন এসে ঠেকেছে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডান তীর বাঁধ বরাবর। ভেঙ্গেছে মসজিদ, পাকা রাস্তাসহ বসতবাড়ি, আবাদি জমি। এখন শুকনো মৌসুম চলছে। কিন্তু রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ভাঙ্গন উত্কণ্ঠায় আছে এলাকাবাসী। প্রতিবছর বন্যা আসে। সেইসাথে ভাঙ্গন। ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয় লোকজন। নদীগর্ভে বিলীন হয় ফসলী জমি, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দিরসহ অনেক কিছু। কিন্তু তিস্তার ভাঙ্গন রোধে কোন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আজও গ্রহণ করেনি পাউবো কর্তৃপক্ষ। গতবছর বন্যার সময় ভাঙ্গনে গান্নারপাড় এলাকায় পাকা রাস্তা, মসজিদ, আবাদি জমি, ধামুর এলাকার ক্রস বাঁধে ব্লক পিচিং ধসে যায়। নোহালী ইউনিয়নে মসজিদ, ৩ শতাধিক বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়। আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান ব্যাংকপাড়া এলাকায় বসতবাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যায়। এসবই এখন কালের সাক্ষী। বিরান ভূমি। এলাকাবাসী বলছেন, আর ক’মাস পরে নদীতে পানি আসবে। শুকনো মৌসুমে পাউবো কর্তৃপক্ষ কোন কাজ না করায় চরম উত্কণ্ঠায় লোকজন। গান্নারপাড় এলাকার নিজামউদ্দিনসহ অনেকে বলছেন, এবার বুঝি মূল বাঁধটাও যাবে। আর এ বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে রংপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়বে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত কোন প্রকল্প চূড়ান্ত হয়নি। তবে কিছু কাজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।