মংলায় তরুণীকে ৫ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:০৯
মংলায় পাওনা টাকা আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। ঘরের ভেতর আটকে রেখে টানা ৫ দিন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়। সোমবার গভীর রাতে তালাবদ্ধ ঘরের বন্দি দশা থেকে কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয় ধর্ষিতা মেয়েটি। রাতেই শারীরিক নির্যাতনের শিকার এ তরুণীকে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ ও ধর্ষিতা তরুণী জানায়, মংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা এলাকায় বছর দুয়েক আগে যুবলীগ কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান মনা চিংড়ি ঘের করার সুবাদে পার্শ্ববর্তী ঐ তরুণীর সাথে তার পরিচয় ঘটে। এর কিছুদিন পরই মাছ চাষের জন্য সে ঐ তরুণীর পরিবার থেকে ২৭ হাজার টাকা ধার নেয়। পরে এ টাকা ফেরত দেয়া নিয়ে ঘের মালিক মনা নানা রকম টালবাহানা শুরু করে। এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার টাকা ফেরত নেয়ার জন্য ঐ তরুণীকে (২২) মংলা শহরে আসতে বলা হয়। ঐদিন বিকালে ঐ তরুণী মংলা এলে শহরতলীর কবরস্থান এলাকায় মনা তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। টাকা দেয়ার কথা বলে সন্ধ্যায় বাড়ির একটি কক্ষে এ তরুণীকে তালাবদ্ধ করে সে। একক্ষে টানা ৫ দিন ঐ তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। সোমবার রাতে মনা তার সহযোগী স্থানীয় কৃষক দলের সাবেক নেতা আঃ হাইসহ আরও দু’যুবককে এ কক্ষে নেয়। এ সময় ওই তরুণীকে হত্যার হুমকিসহ গণধর্ষণের চেষ্টা চালায় তারা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একপর্যায়ে ঐ তরুণী বাথরুমের প্রাচীর টপকে রাস্তায় চলে আসে। পরে পথচারীদের কাছে ঘটনা বলে তাকে বাঁচানোর আকুতি জানায়। এ খবর পেয়ে পুলিশ রাতে ঐ তরুণীকে উদ্ধার করে।