ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পাঁচদিন ধরে বন্ধ

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৬
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম অনির্দিষ্টিকালের জন্য দ্বিতীয় দফায় গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৫ দিন যাবত্ বন্ধ রয়েছে। ভারতীয় ঘোজাডাঙ্গা-সংগ্রামপুর এলাকার শ্রমিক সংগঠনগুলো তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় সমপ্রতি পেঁয়াজ ভর্তি ১০ ও ১২ চাকার ট্রাক আটকে রাখার ঘটনায় সে দেশের সিএন্ডএফ এসোসিয়েশন অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের ডাক দেয়। অব্যাহত এ ধর্মঘটের কারণে সরকার প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এছাড়া আমদানি-রফতানির অপেক্ষায় উভয় দেশের জিরো পয়েন্টের কাছে জমা হয়েছে মালবাহী শতাধিক ট্রাক। অতিদ্রুত ট্রাক থেকে এসব মালামাল খালাস করতে না পারলে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হবেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকসহ প্রায় ১০ হাজার লোক মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভোমরা সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অহিদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সাথে তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে তারা জানিয়েছে যে, সে দেশের প্রশাসন তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন খুব দ্রুত বিষয়টি তারা নিরসন করবেন। হিলি দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর জানান, ভারতের বামপন্থি ট্রেড ইউনিয়নগুলোর ডাকা ধর্মঘটের কারণে গতকাল বুধবার সকাল থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। ভারতের ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের বিরোধিতা করে সে দেশের বামপন্থি ট্রেড ইউনিয়নগুলো গতকাল ও আজ ধর্মঘটের ডাক দেয়। দুইদিনের ধর্মঘট এবং শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে হিলি দিয়ে তিনদিন আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকবে। আগামী শনিবার থেকে আমদানি-রফতানি পুনরায় চালু হবে। সূত্র জানায়, ধর্মঘটের কারণে সীমান্তের ওপারে আমদানিকৃত কাঁচা পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য বোঝাই শতাধিক ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে। তবে বন্দরের পানামা ওয়ার হাউজে পণ্য উঠা-নামার ও পরিবহনের কাজ স্বাভাবিক রয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।