চাঁদপুরে ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার ভোররাতে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে উপড়ে গেছে ওই এলাকার গাছপালাও। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এখন খোলা আকাশের নিচে শতাধিক পরিবার রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজরাজেশ্বর ইউপি সচিব মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, পদ্মা-মেঘনা বেষ্টিত রাজরাজেশ্বর ইউনিয়য়নে গাছপালা কম। গত রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের পর থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল বাতাস শুরু হয়। ঘূর্ণিঝড়টি প্রথমে আঘাত হানে ইউনিয়নের মান্দেরবাজার এলাকায়। পরবর্তীতে মজিদকান্দি ও শিলারচর এলাকা ঝড়ের তাণ্ডব চলে। এছাড়া উড়ে গেছে চিরারচর আশ্রায়ণ প্রকল্পের চাল।
আরও পড়ুন: ফণীর তাণ্ডবে পাথরঘাটায় ঘরচাপায় দাদী-নাতির মৃত্যু
ইউপি সচিব জানান, মাইকিং করে আগেই এলাকার মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। এ জন্য হতাহতের ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। মিজানুর রহমান আরও জানান, চারদিক পদ্মা-মেঘনা বেষ্টিত এ ইউনিয়নে এখনো কোন সাইক্লোন সেন্টার নেই। ঘূণিঝড়ের খবরে আগেই মানুষজনকে মুজাফফরিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রাজরাজেশ্বর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চিরারচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেয়া হয়।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাণিজ ফাতেমা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ৫০টি ঘর পুরোপুরি ক্ষতি হয়েছে। আর বাকীগুলো আংশিক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, মেঘনা নদীর ওপারে হওয়ায় এই মুহূর্তে সেখানে আমাদের যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেখানে শুকনো খাবার দেয়ার জন্য। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআরএম
