তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৫:৩৮
প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ প ড়া র ব ই আমি তপু লেখক :মুহম্মদ জাফর ইকবাল বইয়ের কথা :মুহম্মদ জাফর ইকবাল ছোটদের নিয়ে যতগুলো বই লিখছেন তাদের মধ্যে ‘আমি তপু’ অন্যতম সেরা একটি বই। ছোট তপু কীভাবে সকল প্রতিকূলতার মধ্য থেকেও গণিত অলিম্পিয়াডে সেরা পুরস্কার পায় তার গল্প। ছোটদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প। বইটি কিশোরদের জন্য। নিঃসঙ্গ কিশোরের এই দুঃসহ জীবনে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল তার বিচিত্র সব সঙ্গী-সাথি। তাদের নিয়ে সে কি পাড়ি দিতে পারবে তার বান্ধবহীন এ জীবন। কাহিনীর রোমাঞ্চকতায় আটকে থাকতে হয় পাঠককে। কেন পড়বেন :‘আমি তপু’ নিঃসঙ্গ এক কিশোরের বেঁচে থাকার ইতিহাস। নিষ্ঠুরতার ইতিহাস এবং ভালোবাসার ইতিহাস। দে খা র ছ বি টেলিভিশন পরিচালক :মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ছবির কথা :আনিসুল হক ও মোস্তফা সরয়ার ফারুকী’র যৌথ রচনায় ‘টেলিভিশন’ ছবির ঘটনাস্থল বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার কোনো চর অঞ্চল, নাম চর মিঠানূপুর। মিঠানূপুর গ্রামে কোনো টেলিভিশন নেই, গ্রামের তরুণ সমাজের ভালোর জন্য, তারা যেন বিপথে না যায় সে উদ্দেশ্যে গ্রামে টেলিভিশন নিষিদ্ধ করেছেন। সেখানকার নানা গল্প নিয়ে এই ছবি। কেন দেখবেন :গটেবর্গ, ফ্রিবুর্গ এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট ফেস্টিভ্যাল থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিল ‘টেলিভিশন’। এ ছাড়া আমেরিকার বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ডার্টমাউথে ফারুকীর ‘টেলিভিশন’ নিয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। ত থ্য ক ণি কা মুদ্রা আবিষ্কার এখন আমরা দোকানে গিয়ে খুব সহজেই টাকার বিনিময়ে প্রয়োজনীয় যেকোনো জিনিস কিনতে পারি। কিন্তু প্রয়োজনীয় সব জিনিস কেনার ব্যবস্থাটা সব সময় এ রকম ছিল না। তিন হাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দে মেসোপটেমিয়ায় প্রথম বিশেষ এক ধরনের মুদ্রার ব্যবহার শুরু হয়। এ ব্যবস্থায় বিশেষ কোনো দ্রব্য দিয়ে তৈরি মুদ্রার মূল্যমান নির্ধারিত হতো ওই দ্রব্যের মূল্যের ভিত্তিতে। হেরোডেটাসের মতে, লিডিয়ানসরা সর্বপ্রথম সোনা ও রুপার কয়েন আবিষ্কার করেন। এগুলোই তখন মুদ্রা হিসেবে ব্যবহূত হতে থাকে। মূলত এ ব্যবস্থা থেকেই পরে কাগুজে মুদ্রার ব্যবহার শুরু হয়। সং রাজাদের আমলে চীনে প্রথম কাগুজে মুদ্রা বা ব্যাংক নোট চালু হয়। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইউরোপে কাগুজে মুদ্রার প্রচলন শুরু হয়। মূলত এরপর থেকেই সারা বিশ্বে কাগুজে মুদ্রার ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে। স ফ ল দে র স্ব প্ন গাঁ থা জহির রায়হান জহির রায়হানের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট। বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার ফেনী মহকুমার মজুপুর গ্রামে। তার পারিবারিক নাম আবু আবদার মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ। জহির রায়হানের লেখালেখির অভ্যাস গড়ে উঠে স্কুল জীবন থেকে। তিনি ছিলেন এ দেশের প্রগতিশীল চলচ্চিত্র আন্দোলনের পুরোধা। তিনি ছিলেন একাধারে কাহিনীকার, চিত্রনাট্য রচয়িতা, পরিচালক, চিত্রগ্রাহক এবং প্রযোজক। জহির রায়হান ৩০ জানুয়ারি সার্চ পার্টির সঙ্গে মিরপুরে যান নিখোঁজ ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে। এরপর তার আর কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ ভাইকে খুঁজতে গিয়ে তিনি নিজেই চিরকালের জন্য নিখোঁজ হয়ে গেলেন। তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে লগ ইন করুন www.fac ebook. com/torun. kontho