বান্দরবানে পাহাড়ের ‘সমুদ্র’ দেখতে পর্যটকদের ঢল

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:২৮
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানে প্রকৃতির নির্মল ছোঁয়া পেতে ঢল নেমেছে দেশি-বিদেশি পর্যটকের। একুশে ফেব্রুয়ারির সঙ্গে দুদিনের টানা বন্ধে পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলো। কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। তবে শহরের আশপাশের পর্যটন স্পটগুলোর চেয়েও এবার রুমা এবং থানছি উপজেলার দুর্গম পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের বেশি ছুটে যেতে দেখা গেছে। দুর্গমাঞ্চলে পাহাড়ী গ্রামগুলোতে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীদের তৈরি মাচাংঘরগুলোতে থাকার বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে বেছে নিচ্ছে বেড়াতে আসা পর্যটকরা। পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রের টাওয়ারে উঠে পাহাড়ের সমুদ্র দেখছে পর্যটকরা। পাহাড়ের সাথে আকাশ মিতালী গড়েছে এখানে। জেলা সদর থেকে ২৫ কিলেমিটার দূরে অবস্থিত বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড় এবং ৪৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেনা নিয়ন্ত্রিত স্বপ্নীল নীলগিরি পর্যটন স্পটে গিয়ে মুগ্ধ হচ্ছে পর্যটকরা। এছাড়াও রুমা উপজেলায় অবস্থিত রিজুক ঝর্ণা, রহস্যময় কিংবদন্তী বগালেক এবং সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ক্যাওক্রাডং ও তাজিংডং বিজয় প্রতিটি স্পটই এখন পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত। পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে চলা সাঙ্গু নদীপথে নৌকা নিয়েও ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা।