বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকার ইসলাম বিদ্বেষী কথা বলার জন্য শাহবাগে তাদের দলীয় প্লাটফর্ম তৈরি করেছে। অন্যদিকে এর প্রতিবাদ করার কারণে মসজিদের ভেতরে ও বাইরে মুসল্লিদের পেটানো হচ্ছে। সরকার কঠিন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শাহবাগের আন্দোলনকারী ব্লগাররা নিজেদের নিরপেক্ষ বলে দাবি করে আন্দোলন শুরু করলেও এখন তা সরকারি প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে। শাহবাগের শাক দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, নিজেদের দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা সফল হবে না। জনগণ আপনাদের দুর্নীতির কথা ভুলবে না। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত ‘একুশ মানে মাথা উঁচু করে বাঁচার প্রেরণা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রফেসর ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক, ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক তাজমেরী ইসলাম, ডা. আবদুল মান্নান, ড. খলিলুর রহমান, ডা. মো. আবদুস সালাম প্রমুখ। ড. মোশাররফ বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণের ঐক্য গড়ে তোলা হবে এবং সরকারকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। ড. এম ওসমান ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন বিজেএমই ভবন হাতিরঝিলের জন্য বিষফোঁড়া। আসলে জনগণের জন্য এ সরকারই এখন বড় বিষফোঁড়া। তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য শাহবাগের আন্দোলন চালু করেছে। কিন্তু এতে কোন কাজ হবে না।
