কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল শহরে গতকাল শনিবার ছাত্রলীগের পতাকা মিছিল চলার সময় মিছিল থেকে ভিক্টোরিয়া রোডে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টারে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। এতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে একজন নিহত ও আটজন আহত হয়। সেন্টারটি খোদা-ই- খিদমতগার টাঙ্গাইল জেলা শাখার সেক্রেটারি ও জামায়াত সমর্থক শওকত হোসেন ইমরানের।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে ছাত্রলীগের পতাকা মিছিল বের হয়ে ভিক্টোরিয়া রোড দিয়ে যাওয়ার সময় কসমস কম্পিউটার সিস্টেম নামে ঐ সেন্টারে প্রবেশ করে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেয়া হয়। পুলিশ আসার পর তারা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর দোকানের ভিতর থেকে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত আটজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, আহতদের মধ্যে রবিন, রবিন-২, সবুজ ও মাহবুবকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর চারজন শুভ, শুভ-২, বাবু, ও শহীদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
দোকানের মালিক শওকত হোসেন ইমরান জানান, আগুন লাগার কথা শুনে তিনি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। কিন্তু তারা প্রথমে আসতে অস্বীকার করে। কিছুক্ষণ পর তিনিসহ ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দোকানের কাছে গেলে ছাত্রলীগের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করে।
টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, দোকানের ভিতর থেকে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হয়েছে আটজন।
