মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরসহ দেশব্যাপী ইসলামী ও ১২ দলের হরতাল পালনকালে গুলি করে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যায় মিছিল ও সমাবেশ শেষে দু’দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মঙ্গলবার রাজধানীতে ও ২৮ ফেব্রুয়ারি সব জেলা এবং মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাত্ক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল করে দলটি। মিছিলে দলের যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম, রফিক সিকদার প্রমুখ নেতৃত্ব দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসলাম সম্পর্কে যে ব্লগাররা কটাক্ষ, কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার করছে তার বিরুদ্ধে দেশের ওলামা-মাশায়েখসহ সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করছে। এটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু তাদের আন্দোলন দমন করতে নির্মমভাবে, নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। মানিকগঞ্জে পুলিশের গুলিতে নিহত নাজিমউদ্দিন স্বেচ্ছাসেবক দলের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক। রিজভী আহমেদ সরকারকে দায়ী করে বলেন, সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে পুলিশ, র্যাব ও যুবলীগ-ছাত্রলীগ এসব হামলা চালিয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
এর আগে বিকালে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী আহমেদ মানিকগঞ্জে হরতাল সমর্থনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি করার প্রতিবাদে আজ সোমবারে ডাকা হরতালে বিএনপির সমর্থন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার আহ্বান জানান। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। কিন্তু বর্তমান সরকার এই নিশ্চয়তা দিতে চায় না।
