নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে চিকিত্সক সংকটে স্বাস্থ্য সেবা ভেঙ্গে পড়েছে। মাত্র ৭ জন চিকিত্সক দিয়ে উপজেলার পাঁচ লাখ মানুষের চিকিত্সা সেবা চলছে। প্রায় ৭২ হাজার মানুষের জন্য একজন চিকিত্সক রয়েছে। সাধারণের চিকিত্সা সেবা বৃদ্ধি করতে বর্তমান সরকার সৈয়দপুর ৫০ শয্যা হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করে। কিন্তু অবকাঠামোর অভাবে ৮৩টি শয্যা দিয়ে হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা দেয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের সাফ জবাব- আগামি এপ্রিল মাসে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হলে শয্যা সংকট কেটে যাবে। আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মনিরুল ইসলাম মানিক জানান, ১৯৬৮ সালে সৈয়দপুর ৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। সেই সময়ে উপজেলার মাত্র দু’লাখ মানুষের চিকিত্সা সেবার জন্য এই হাসপাতালের কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছিল। এজন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ১২ জন চিকিত্সক। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে পাঁচ লাখে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে শয্যাসংখ্যাও দ্বিগুণ হয়েছে। অথচ সেই হিসাবে বৃদ্ধি পায়নি চিকিত্সক ও কর্মচারীর সংখ্যা। বরঞ্চ ১২ জন চিকিত্সকের জায়গায় বর্তমানে কর্মরত আছে ৭ জন চিকিত্সক।
