মেঘনা, তেতুলিয়া ও ইলিশা নদীর উপকূলীয় তিনটি ইলিশ অভয়াশ্রমে আজ ১ মার্চ থেকে দু’মাসের জন্য (মার্চ ও এপ্রিল) সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সময় মাছ ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মত্স্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী মত্স্য অধিদপ্তর ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মত্স্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ক সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, মত্স্য বিভাগ, পুলিশ, কোস্টগার্ড এবং ইউনিয়ন পরিষদ এ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ইলিশ অভয়াশ্রমগুলো হচ্ছে—চাঁদপুর জেলার ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর নিম্ন অববাহিকার ১০০ কিলোমিটার, ভোলা জেলার মদনপুর চর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার এবং ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালী জেলার চর রুস্তম পর্যন্ত তেতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকা।
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মত্স্য সংরক্ষণ বিষয়ক উপজেলা আ স ম হাসান আল-অমিন জানান, মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে ইলিশ অভয়াশ্রম সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারকে বিভিন্ন সহযোগিতা দিচ্ছে। জেলে পরিবারের মধ্যে চার মাসের জন্য ৩০ কেজি করে চাল ভিজিএফ সহায়তা, জাল তৈরির জন্য সুতা, বিকল্প কর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য নগদ ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। রামগতি সিনিয়র উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব মোঃ জাকির হোসেন জানান, রামগতি উপজেলায় ১৪ হাজার ১৪২টি জেলে পরিবার এসব সুবিধা পাচ্ছে।
