আড্ডা

মেয়েরা নিজের পায়ে দাঁড়াবে

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৩, ১৮:০৩
বর্তমান যুগে সবকিছু ছাপিয়ে এখন মেয়েরাও চলছে আপন গতিতে। নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করছে যুগের ছন্দময় জীবনের সাথে, ঠিক এই রকমই এক রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে চায়ের দোকানে মেয়েদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মতো কঠিন একটি বিষয় নিয়ে তর্কে বিতর্কে আটকে গেল আঁতেল উপমা, নাটুকে নিলয়, সেন্সিবল শান্ত, চাপাবাজ কৌশিক এবং রগচটা রাজীব। আসুন, আপনাদের নিয়ে যাই সেই তর্কময় আড্ডায়— উপমা :যাই বলিস বিয়ের পর চাকরি না করে বাড়িতে বসে আরাম করব, এটা কোনোভাবেই সাপোর্ট করা যায় না। বিয়ের আগে হোক বা পরে, মেয়েদের কিন্তু নিজেদের পায়ে দাঁড়ানো উচিত। সেই আদিকাল থেকে রান্নাঘরে আটকে যাওয়া কনসেপ্ট থেকে এবার কিন্তু আমাদের বেরিয়ে আসা উচিত। শান্ত :তা তো বটেই। কিন্তু একটা কথা বল, একটি ছেলে চাকরি করে যদি একটি বেকার মেয়েকে বিয়ে করতে পারে তাহলে একটি মেয়ে কেন বেকার কোনো ছেলেকে বিয়ে করবে না। এই থিওরি থেকে তো ব্যাপারটা স্পষ্ট যে, বাড়ির কাজ মেয়েরা সামলাবে, রোজগারে ব্যাপারটা ছেলেরা সামলাবে। এটা তো ঠিক নয়, তাই না? নিলয় :হ্যাঁ, আমাদের মতো ছেলেদের তো প্রথম থেকেই মানসিক চাপ দেওয়া হয় যে, আলটিমেটাম দায়িত্ব নেওয়ার দায় কিন্তু তোমারই। সুতরাং চাকরি-বাকরি না পেলে সামাজিক চাপটা অন্তত একটি মেয়েকে নিতে হয় না। রাজীব :দ্যাখ, সমাজ কী বলছে, সেটা প্রসঙ্গ নয়, সে তো প্রেম করে বিয়ে করার ক্ষেত্রেও নানা সমস্যায় পড়তে পারে, কিন্তু আমরা কী তাই বলে প্রেম করা ছেড়ে দিয়েছি। কৌশিক :নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রটা কিন্তু শুধুমাত্র মেয়েদের বিষয় নয়। যেহেতু মেয়েদের ক্যারিয়ার তৈরির ক্ষেত্রে আজও কিছু পারিবারিক ও সামাজিক বাধ্যবাধকতা থেকেই গিয়েছে। তাই এই সব বাধা-নিষেধকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে ছেলে-মেয়ে উভয়ই। চল বরং তর্ক বন্ধ করে আমরা একে অপরের হাত ধরে সে চেষ্টাটাই করি। ছবি দীপঙ্কর দীপু