খুলনায় সবজির পরিবর্তে আপেল কুল চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৩, ২০:৩৪
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা এলাকাজুড়ে কৃষকরা সবজি চাষের পরিবর্তে ঝুঁকে পড়ছেন কুল চাষের দিকে। গত কয়েক বছরে এ উপজেলার কৃষকরা কুল চাষ শুরু করেছেন। ঝুঁকি কম আর লাভ বেশি হওয়ায় উপজেলার খর্নিয়া, শোভনা, ডুমুরিয়া সদর, গুটুদিয়া, সাহস, ভান্ডারপাড়া, শরাফপুর, আটলিয়া, রংপুর ও রঘুনাথপুর— এসব ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে কুল চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এ উপজেলায় প্রায় ৯ শতাধিক পরিবার কুল চাষ করছেন। চাষীরা জানান, গত ১১ বছর ধরে তারা এই কুলের চাষ করছেন। মাত্র এক একর জমি থেকে বছরে অন্তত দেড় থেকে ২ লাখ টাকার কুল বিক্রি করা যাচ্ছে। ঐ এলাকার সফল কুল চাষি সুকেশ কুমার রক্ষিত জানান, গতবছর তিনি ১০ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছিলেন। তার খরচ হয়েছিল ২ লাখ টাকা এবং লাভ করেছিলেন ৫ লাখ টাকা। তিনি এবার ১৪ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছেন। এবার তার খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে তিনি দেড় লাখ টাকার কুল বরই বিক্রি করেছেন। ক্ষেতে এখনো যে কুল রয়েছে তা ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে তিনি জানান। প্রকাশ, কুল ক্ষেত সরেজমিনে দেখার জন্য স্থানীয় কৃষি অফিসকে অনুরোধ করলেও খুব একটা ফল হয় না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঐ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কুল চাষীদের নিয়মিত সহায়তা প্রদান করা হয় বলে দাবি করেন। ডুমুরিয়ায় চলতি মৌসুমে ৪৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের কুল চাষ হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।