মেহেরপুর ও লালমোহনে পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের দাবি

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৩, ২১:১৪
মেহেরপুর প্রতিনিধি মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নকারীদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করে খাতায় কম নম্বর দেয়ার অভিযোগ তুলে ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেছেন ২৫ জন অভিভাবক। গতকাল শনিবার অভিভাবকরা মেহেরপুর জেলা প্রশাসক বরাবর ওই স্মারকলিপি পেশ করেন। জেলা প্রশাসক দেলওয়ার হোসেন ওই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা \ লালমোহনে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল অনিয়মের প্রতিবাদে আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে অভিভাবকরা। ইতোমধ্যে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ভোলা জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছে অভিভাবকরা। লালমোহন সদরের ঐতিহ্যবাহী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ট্যালেণ্টপুলে বৃত্তি না পাওয়ায় এ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে ২৩ জন এ প্ল¬াস পায়। এছাড়া হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল একাডেমী থেকে ৩২ জন অংশগ্রহণ করে ২০ জন এ প্ল¬াস পায়। কিন্তু ২০ ফেব্রুয়ারির বৃত্তির রেজাল্ট দেখে এ দুই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকরা হতাশ হয়েছেন। অনেক পরীক্ষার্থী এ প্ল¬াস পেলেও বৃত্তির তালিকায় তাদের নাম নেই। ক্ষুব্ধ লালমোহন মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মূল উত্তরপত্র যাচাই এবং পরীক্ষক কর্তৃক প্রেরিত প্রাথমিক নম্বর ফর্দের সাথে কম্পিউটারে প্রেরিত নম্বর ফর্দ যাচাই করার দাবি জানিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট আবেদন করে। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার যতীশ চন্দ্র শীল বলেন, বৃত্তি পাওয়া নম্বরের উপরে নির্ভর করে। খাতা লালমোহন উপজেলার কেউ দেখেনি। অন্য উপজেলার শিক্ষকরা খাতা দেখে রেজাল্ট শীট তৈরি করেছে।