বেসরকারি কলেজের প্রভাষকগণ সারা জীবনে এমপিওভুক্তি থেকে আট বছর পূর্তিতে একটি পদোন্নতি পান। আর তাহলো প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, এসিআর এমনকি প্রশিক্ষণের ফলাফল কোনো কিছুই বিবেচনা না করে শুধু অনুপাতভিত্তিক নিয়োগের জ্যেষ্ঠতার সিরিয়াল অনুসারে মুষ্টিমেয় কতিপয় প্রভাষককে পদোন্নতি প্রদান করা হয়। এতে করে দেখা গেছে, একই দিনে নিয়োগ এবং একই তারিখে এমপিওভুক্তি হয়েও অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রভাষকগণ পদোন্নতি পাচ্ছেন না। পক্ষান্তরে একাধিক তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি, অল্প বয়স, কলঙ্কময় এসিআর এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রভাষক হয়েও শুধু অনুপাত প্রথার কারণে দিব্যি পদোন্নতি পেয়ে যাচ্ছেন। আর সেখানে অনুপাতের যাঁতাকলে মান্ধাতার আমলের আইনের নীতিমালায় সন্তোষজনক শিক্ষাগত যোগ্যতা, অধিক বয়স্ক প্রভাষক, ৫৬ দিনের পেডাগজি ও বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণে এ+সহ প্রথম স্থান অর্জন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের এসিআর বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রভাষক বিবেচিত হয়েও একই দিনে নিয়োগ, এমপিও হওয়া সত্ত্বেও সারা জীবন প্রভাষক পদে বহাল থেকে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় মাননীয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি-র) মহাপরিচালক মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন এই যে, বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনাপূর্বক প্রশিক্ষণ ফলাফলের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স ও এসিআর সমন্বয় করে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ব্যবস্থা করেন।
জনৈক প্রভাষক
