৫ জন ভিনদেশি ফিটনেস ট্রেইনার

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৩, ১৯:০৯
সুন্দর মনের সাথে সাথে সুন্দর গঠনের অধিকারী হতে কে না চায়! আর তাই দেশে বিদেশে সেবা দিয়ে আসছে নানা ধরনের ফিটনেস সেন্টারগুলো। সেগুলোর কাজ শুধু এক্সারসাইজ করে নিজেকে ফিট রাখার মধ্যেই সীমিত নয়। সেগুলো ফিটনেস গাইডলাইনের পাশাপাশি, নিউট্রিশন টিপসও দিয়ে থাকে। আর এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে কাজ করছেন প্রতিভাবান কিছু তরুণ-তরুণী। এমনই কিছু প্রতিভাবান প্রজন্মের কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম বি ল ফি লি প স দেখতে ভালো, ফিগারও সুন্দর, এমনটা হতে অনেকেই চান। সেই অনেকের মতো বিল ফিলিপসেরও চাওয়া ছিল সুন্দর বডি শেপ। আর সেই চাওয়া থেকেই শুরু করেন ব্যায়াম করা। একসময় তার বন্ধুরাও তার কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হতে শুরু করেন। তারা তার কাছ থেকে টিপস নেওয়া শুরু করে কীভাবে সুন্দর ফিগার পাওয়া যায়। এভাবে বেশ কিছুদিন চলার পর, বিলের মাথায় একটা আইডিয়া আসে, তিনি ভাবেন এই কাজটায় তিনি আনন্দ পান। আর কাজটা তিনি যখন করছেনই তখন, কেন সেটা প্রফেশনালি করবেন না! এই ভাবনা থেকে শুরু করেন ‘বডি ফর লাইফ’ নামের একটি প্রোগ্রাম। তার নিজের এলাকা দিয়ে শুরু করেন তিনি। মাত্র ১২ সপ্তাহ পরেই এই প্রোগ্রাম সবার নজর কাড়ে। ---- ই সা বে ল ডি রি ও স বিশ্বের কয়েকটি ফিটনেস এক্সপার্টের তালিকা করলে দেখা যাবে সেখানে ব্রাজিলিয়ান তরুণী ইসাবেলের নাম রয়েছে। তিনি বর্তমানে ফিটনেস এক্সপার্ট এবং নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে বেশ ভালই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তবে তার এই সাফল্য একদিনের নয়। তিনি প্রথমে একটি ডায়েট প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ শুরু করেন। সেখানে তিনি সবাইকে পারামর্শ দানের পাশাপাশি নিয়মকানুন শিখিয়ে দিতেন। তাদের নিজেস্ব সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ফিটনেস অ্যান্ড নিউট্রিশনের মাধ্যমে কাজটি করা হয়। তার এই প্রোগ্রাম এবং সেন্টারের কারণে প্রায় তিরিশ হাজারের মতো মানুষ উপকার পেয়েছে। তাদের এই উদ্যোগ যেমন সাধারণ মানুষদের উপকার করেছে তেমনি তাদের পরিচিতও এনে দিয়েছে। ---- ভ্যা লে রি য়া ও য়া টা র স খুব ছোটবেলা থেকেই তিনি নানা ধরনের ব্যায়ামের সাথে পরিচিত। তার মা ছিলেন একটি স্কুলের জিম ইন্সট্রাক্টর। তার বয়স যখন মাত্র ১৫ বছর, সেসময় থেকে তিনি তার মায়ের কাছ থেকে কাজ শেখা শুরু করেন। মায়ের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে তিনি সামনে এগিয়ে যান। কিছু বেসিক কোর্স বাদে তার তেমন প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তিনি প্রথমে সেই স্কুলেরই জিম ইন্সট্রাক্টর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে নিজের মত করে একটি ফিটনেস সেন্টার করে নেন। খুব অল্পসময়ের মধ্যেই তিনি সেখানকার সেলিব্রেটি পর্যায়ে চলে যান। শুধু তাই নয়, তিনি তার এলাকার সবথেকে সফল ফিটনেস সেন্টারের উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয়। বেশ কয়েকবার টিভিতেও সুযোগ পান তার কাজের প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান করার। ---- জে নি ফা র নি কো ল লি জেনিফার একজন মুভিপ্রেমী তরুণী। রেড কার্পেটের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দেখতে দেখতে একসময় তার তাদের মতো হওয়ার ইচ্ছে জাগে। তার জন্য সুবিধার দিক ছিল তার চেহারা। বেশ সুন্দরী ছিলেন তিনি। সাথে ফিটনেসের দিকটাও সামলে নিলেন। সহজেই সবার নজরে চলে এলেন। তার বন্ধুরা মিলে তাকে বুদ্ধি দিল একটা ফিটনেস সেন্টার খোলার। তিনি কাজ শুরু করলেন। দেখতে দেখতে বেশ ভালোই নাম কামিয়ে ফেলেন তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই। এরপর তিনি গ্লোবাল ফিটনেস কমিউনিটিতে যোগ দেন। ফিটনেস নিয়ে তার লেখা, ‘দ্য মাইন্ড, বডি অ্যান্ড সোল ডায়েট’ প্রতি মাসে ম্যাগাজিন আকারে বের করা হয়। ---- রা য়া ন লি ফিটনেস মার্কেটের রাজা হিসেবে সবাই চেনে তাকে। ফিটনেস ব্যাবসা শুরু করেন অল্প বয়সেই। অন্য সবার মত খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয়নি ব্যবসাটি সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য। কারণ স্কুল জীবন থেকেই তার ফিটনেস সম্পর্কে বিশদ জ্ঞানের কথা সবাই জানত। আর সেই সময় থেকেই তিনি চিন্তা করে রেখেছিলেন পরবর্তীতে এই মার্কেটেই তিনি তার ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারটি গড়বেন। তিনি হাতে কলমে সবাইকে শেখাতেন কীভাবে নিজেকে ফিট রাখা যায়। শুরুর পর থেকেই তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। শুরুটা ছিল মাত্র একটা ফিটনেস সেন্টার থেকে। বর্তমানে তার তত্ত্বাবধানে সাতটির মতো ফিটনেস সেন্টার চালানো হচ্ছে। এর মাঝে তিনি ‘ফিটনেস লার্নিং:হাউ টু মার্কেট অ্যান্ড বিল্ড এ বিজনেস’ নামের একটি বইও লিখে ফেলেন।