শরণখোলায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৩, ২২:৩৬
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক গাজীকে (৪০) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার গভীর রাতে উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মাথায় গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে, খোন্তাকাটা গ্রামে মোসলেম উদ্দিন গাজীর ছেলে রফিক গাজী রাতে তার নিজ বসতঘরে বারান্দার খাটে ঘুমিয়েছিলেন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত কৌশলে দরজার খিড়কি খুলে ঘরে ঢুকে ধারালো দা দিয়ে তাকে কোপ দেয়। এ সময় তার ডাক-চিত্কারে ঘরের লোকজন ছুটে এলে দুর্বৃত্তরা দা ও একটি গামছা ফেলে পালিয়ে যায়। হত্যার উদ্দেশ্যে রফিক গাজীর ওপর আক্রমণ চালানো হয় বলে পরিবার দাবি করে। থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ পিপিএম জানান, পুলিশ আলামত জব্দ করেছে। সেনবাগে গণজাগরণ নেতাকে গুরুতর জখম সেনবাগ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, সেনবাগ উপজেলায় গণজাগরণ মঞ্চে প্রধান সমন্বয়কারী ও উপজেলা যুবলীগ নেতা দিদারুল আলম (৩৪) সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। দিদার শনিবার রাতে সেনবাগ পৌর শহরের অর্জুনতলা গ্রামে বাড়ির সামনে এ হামলার শিকার হন। তার চিত্কারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রক্তাক্ত আহত দিদারকে প্রথমে সেনবাগ সরকারি হাসপাতাল ও পরে নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপতালে ভর্তি করা হয়। দিদারের চাচাতো ভাই ও উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাবু গতকাল দুপুরে ইত্তেফাককে বলেন, রাত ১১টার দিকে সেনবাগ বাজার থেকে দিদারকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে তিনিসহ বাড়ি ফিরেন। এরপর রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে কেউ একজন তাকে ডাক দেয়। এ সময় দিদার ঘর থেকে বের হওয়ামাত্র কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে কাঠ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। তিনি জানান, সেনবাগে গণজাগরণ মঞ্চ গঠনের ব্যাপারে দিদারকে তিনদিন আগে অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে ‘দুইদিনের মধ্যে হত্যা’র হুমকি দেয়। হুমকির দুইদিনের মধ্যে তার উপর হামলা চালানো হয়। তিনি ঘটনার জন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ি করেছেন।