জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল রিট শুনানির জন্য কার্যতালিকায়

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৩, ২২:২৯
জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল সংক্রান্ত রিটটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন ও বিচারপতি কাজী রেজাউল হকের ডিভিশন বেঞ্চে এ রিটের চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে গত এক মাস ধরে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নেতৃত্বে আন্দোলন চলে আসছে। ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতাও এ দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বিষয়টি আদালতে সুরাহার কথা বলেছেন। রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন। জামায়াতের গঠনতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে দলটি নিবন্ধনের অযোগ্য বলে রিটে দাবি করা হয়। এতে বলা হয়, জামায়াত নীতিগতভাবে জনগণকে সকল ক্ষমতার উত্স বলে মনে করে না। একই সঙ্গে আইন প্রণয়নে জনপ্রতিনিধিদের নিরঙ্কুশ ক্ষমতাকেও স্বীকার করে না। রিটের শুনানি শেষে ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট একটি রাজনৈতিক দল হিসাবে নির্বাচন কমিশনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কেন আইনগত কর্তৃত্ব বাহির্ভূত এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের লঙ্ঘন ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল জারি করে। বিচারপতি এমবিএম খায়রুল হক ও বিচারপতি মো. আবদুল হাইয়ের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রুল জারি করেছিল। গঠনতন্ত্র নিয়ে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে জামায়াত কয়েক দফায় দলটির গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন এনেছে বলে জানা গেছে।