টিপস

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৩, ১৫:৩০
ধ্রুবর ইদানীং অল্পতেই মাথা গরম হয়ে যায়। প্রতিদিনের ছোটখাটো সমস্যা সে সাধারণভাবে মোকাবিলা করতে পারছেন না। পকেটে মোবাইল রেখে মোবাইল খুঁজতে খুঁজতে বাসা মাথায় তোলাও হয়ে দাঁড়িয়েছে নিত্য ঘটনা। এই তো সেদিন প্রিয়তীরও প্রায় একই ঘটনা। ভার্সিটির নোটগুলো জায়গামতোই রেখেছিল। কিন্তু কাজের সময় না পেয়ে বাসায় সব তছনছ করে একাকার। পরে দেখা গেল, তার ড্রয়ারেই আছে সব। এমন কেন হয়? আমরা উত্তেজিত হয়ে যাই বলেই কি সব সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে যাই? তাই আর অহেতুক উত্তেজনা নয়। এতে আমাদের কাজটাতো ঠিকমতো হয়ই না, বরং আমরা পিছিয়ে পড়ি সেই কাজে। আসুন জেনে নিই নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু টিপস। ++ অল্পতে মাথা গরম করার আগে ভাবুন তো রেগে গেলে সমস্যাটার আদৌ কোনো সমাধান হবে কি না। যদি দেখেন—না, তাহলে অহেতুক রেগে লাভ নেই, এটা বুঝতে হবে। প্রথম প্রথম কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। ++ নিজের সময়ের মূল্য দিন, সময় নিয়ে তাহলে আর বিপদে পড়বেন না। কাজ পারলে আগেই সেরে রাখুন। জানেনই তো পথে প্রায়ই জ্যাম লেগেই থাকে, একটু সময় হাতে নিয়ে বের হবেন। তাহলে আর অফিসে দেরি করা নিয়ে মাথা গরম করতে হবে না আপনাকে। অন্য যেকোনো কাজও সময়ে করার চেষ্টা করুন। নিজেকে এগিয়ে রাখুন। ++ অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা টেনশনে মেজাজ গরম করে ফেলি। কিন্তু টেনশনকে বাগে আনতে পারলে এই সমস্যাটা অনেকটা বাগে আনতে পারবেন। খুব সহজ কাজ না হয়তো, তবে চেষ্টা করলে আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন নিজেকে। ++ কোনো জিনিস যেখান থেকে নেবেন সেখানে রেখে দেবেন, এতে অন্তত আমার অমুক জিনিস কই? তমুক জিনিসটা পাচ্ছি না, এই ধরনের ঝামেলায় পড়তে হবে না। ++ কাজে একঘেয়েমি দূর করার চেষ্টা করুন। মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন। সময় পেলেই একসাথে দূরে কোথাও ঘুরে আসার চেষ্টা করুন। পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটান, দেখবেন নিজেকে ফিরে পাবেন। এর মাধ্যমে আপনার মেজাজের খিটখিটে ভাবও দূর হবে।