পীরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির পীরগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসের আওতাধীন পীরগঞ্জ, হরিপুর ও রানীশংকৈল উপজেলায় প্রতিদিন ৭/৮ ঘন্টা লোডশেডিং চলছে। ফলে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ ও ছাত্র/ছাত্রীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৬ থেকে ৮ ঘন্টা লোডশেডিং এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ফলে দিনেরবেলা মিল-কারখানাগুলো জেনারেটর ও স্যালো মেশিন দিয়ে চালানো হচ্ছে। একইভাবে ইরি-বোরো, ভুট্টা ও অন্যান্য ক্ষেতে বিদ্যুত্চালিত সেচযন্ত্রের পরিবর্তে ডিজেলচালিত স্যালো মেশিন দিয়ে কৃষকরা সেচ দিচ্ছে। এতে সেচ খরচ অনেক বেশি পড়ছে বলে কৃষকরা জানান। এছাড়াও সন্ধ্যার সময় বিদ্যুত্ বিভ্রাট লেগে থাকায় ছাত্র/ছাত্রী বিশেষত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন বলে অনেক ছাত্র/ছাত্রী অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির পীরগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসের ডিজিএম খান মোহাম্মদ বোরহান প্রত্যেহ ৬ থেকে ৮ ঘন্টা লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করে বলেন, কৃষকদের সেচ সুবিধার স্বার্থে রাত ১০টার পর থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। উল্লে¬খ্য, পীরগঞ্জ আঞ্চলিক পল্লী বিদ্যুত্ অফিসের অধীনে উক্ত ৩টি উপজেলায় ১০৯৪টি ক্ষুদ্র শিল্প, ৪৭৪টি গভীর নলকূপ, ১৮০৩টি অগভীর নলকূপ, ৩৮৪৮টি বাণিজ্যিক, ২৭১১৪টি আবাসিক ও ৬৮২টি দাতব্য প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৩৫০১৫টি বিদ্যুত্ সংযোগ রয়েছে।
