তৈয়বুর রহমান ছিলেন সত্যিকার জনপ্রতিনিধি

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৯
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান এম তৈয়বুর রহমানের মৃত্যুতে গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্মরণ ও শোকসভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল্লা ইসলাম। বক্তারা এম তৈয়বুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি ছিলেন সত্যিকারের একজন জনপ্রতিনিধি। তার মৃত্যু কোম্পানীগঞ্জবাসীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তৈয়বুর রহমান কোম্পানীগঞ্জকে শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে নেয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা করে গেছেন। তিনি স্বপ্ন দেখতেন কোম্পানীগঞ্জের আলোকিত সমাজ। তিনি মানুষের কাছে আন্তরিক ছিলেন। তার মত জনদরদী নেতার আজকাল বড়ই অভাব। তিনি ছিলেন সত্ ও নির্মোহ। বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আব্দুন নূর, আওয়ামী লীগের আফতাব আলী কালামিয়া, হুমায়ুন কবির মছব্বির, বিএনপির সামছুদ্দিন, ইয়াকুব আলী ও নাসরিন জাহান ফাতেমা, ওসি আমিনুল ইসলাম সরকার, পশ্চিম ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামছু মিয়া চৌধুরী, পূর্ব ইসলামপুর চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া, উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন, দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, ইছাকলস ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান, এম সাইফুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, টুকেরবাজার স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম নবী ভুঁইয়া, থানা সদর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর রায়, যুবলীগের ইকবাল হোসেন ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। অর্থমন্ত্রীর শোক তৈয়বুর রহমানের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেটের ডাক’র সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি দানবীর রাগীব আলী, সিলেটের সকল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, যুক্তরাজ্যস্থ গোয়াইনঘাট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম জিলানী চৌধুরী, যুক্তরাজ্যস্থ কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুর রশীদ, সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম মাছুম প্রমুখ। রবিবার রাত ৯ টায় ঢাকা থেকে সিলেটে ফেরার পথে তিনি ইন্তেকাল করেন।