ভালো ক্যারিয়ারের জন্য এসিসিএ ডিগ্রি

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৩, ২০:৩২
সেরা ক্যারিয়ার গড়ার জন্যে ব্যবসায় শিক্ষা বিশেষ করে হিসাব বিজ্ঞান ও ফাইন্যান্স বিষয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেশাগত ডিগ্রি হিসেবে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা এসিসিএ সম্পন্ন করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত পেশাদার চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টেন্সি খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। যার ফলে বিশ্বের অন্যতম সেরা অ্যাকাউন্টিং পেশাদার ডিগ্রি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে এটি। এফআইএ, এসিসিএ, সিএটি কোর্স আমাদের দেশে কিছুটা নতুন হলেও দ্রুত ক্যারিয়ার গড়ার সুবিধার জন্যে এটি ক্রমাগত সমাদৃত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে ২০০১ সালে কোর্সটি শুরু হলেও এই পেশা ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছিলো ১৯০৪ সালে। সে সময় থেকে বর্তমানে এর ১,৫৪,০০০ মেম্বার ৪,৩২,০০০ শিক্ষার্থী বিশ্বজুড়ে ৮৩টি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রদান করে আসছে। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এই প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালেয়শিয়া, সিঙ্গাপুর, চায়না, ইন্ডিয়া পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের প্রায় দেশেই এসিসিএ উত্তীর্ণদের চাকরির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। www.accacareers.com সাইটে গিয়ে এ সম্পর্কে আরও তথ্য জানা যাবে। এটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত প্রফেশনাল সিএ ডিগ্রি। বিশ্বের সব যায়গায় এটি পড়া যায় এবং সবদেশে পরীক্ষা দেওয়া যায়। অন্যদিকে অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটির সাথে এসিসিএ’র চুক্তি থাকায় সেখান থেকে বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং এবং এমবিএ ডিগ্রি পাওয়া যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের অলাদা করে এই বিষয়ে অনার্স এবং এমবিএ পড়তে হয় না। এটি বাংলাদেশের স্থানীয় অ্যাকাউন্টিং বডি সিএ/আইসিএমইএ’র মতো আন্তর্জাতিক মানের গ্লোবাল ডিগ্রি। এই কোর্স পরিচালনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফুলটাইম/পার্টটাইম টিউশন স্কিমের মাধ্যমে পড়ালেখা করছে। এখানে রয়েছে এই কোর্সে পড়লেখার জন্যে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ ও সুবিধাবলী। শিক্ষা পরিচালনায় উন্নতমানের জন্যে এর দুটি ক্যাম্পাসকে এসিসিএ’র হেড কোয়ার্টার থেকে গোল্ড অ্যাপ্রুভাল প্রদান করা হয়েছে। প্রতিদিন এখানে ১০০জন শিক্ষার্থীর অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সামর্থ্য থাকার কারণে এই প্রতিষ্ঠানকে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এখানে অনলাইনে পরীক্ষা দিতে পারছে। এ ছাড়া এখান থেকে পাশ করে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে উন্নত ক্যারিয়ার নির্বাহ করছেন। ৮১৪১৬০১, ০১৭২০৫৫৩২৭৩ নম্বরে ফোন করলে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের লেখাপড়া অন্যান্য বিষয়ে আরও তথ্য জেনে নিতে পারবেন। সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায় এসএসসি/এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফআইএ কোর্সে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে। এফআইএ/সিএটি শেষ করে বহজাতিক কোম্পানি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে ট্রেইনি অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে চাকরি পাওয়া যায়। পাশ শেষে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সিইউসি বিশেষ সহায়তা করে থাকে। এসিসিএ নিয়ে কথা হয় প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. আনিসুর রহমান খানের সাথে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বায়নের যুগে সেইসব কোর্সে পড়ালেখা করতে হবে যার রয়েছে পুরো বিশ্বেই চাহিদা। এদিক দিয়ে সব ধরনের পাবলিক/প্রাইভেট/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এসিসিএ’র চাহিদা রয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানি বা কর্পোরেট অফিসে উচ্চ বেতনে চিফ ফাইন্যান্স অফিসার, অডিটর, আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং ফার্মে পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, অডিটর, অ্যাডভাইসর প্রভৃতি পদে চাকরি হয়ে থাকে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের জন্যে প্রয়োজন দক্ষতা; আর এ ক্ষেত্রে প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং একজন শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা প্রদান করে যা তাকে দ্রুত চাকরি পেতে সহায়তা করে থাকে।’ যোগাযোগ :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি।