উফ্, প্রচুর চাপ! এত চাপ কে নিতে বলেছে ভাই। কে কী করেছে তাতে আপনার কী আসে যায়। জীবনে এমনিতেই কী চাপ কম? এসব উটকো ঝামেলা নেওয়ার কোনো মানেই হয় না। সেই কবে থেকে দৌড়াচ্ছি... লক্ষ্য নেই। শুধু জানি পাশের লোকটিকে পেছনে ফেলে এগোতে হবে। কিন্তু কতক্ষণ। প্রতিযোগিতা করা খারাপ না কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই আমরা প্রতিযোগিতা করতে করতে নিজেদের সত্তাকে ছাড়িয়ে বেরিয়ে যাই।
কখন প্রতিযোগিতা করব
++ অন্যের সঙ্গে না করে, নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করা উচিত।
++ যতক্ষণ নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট হবে না।
++ অন্যের ক্ষতি না করে শুধু নিজের জন্য।
++ নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য।
কখন করবেন না
++ সারাদিন পাশের বন্ধুটির কী পেল আর আপনি কী পেলেন, সেই হিসাব কষবেন না।
++ লোক দেখানোর জন্য কম্পিটিশন করবেন না।
++ অন্যের লক্ষ্য অনুযায়ী নিজের লক্ষ্য স্থির করে তার পিছনে ছুটবেন না।
++ নিজের মনের শান্তি নষ্ট করে টেক্কা দিবেন না।
++ পড়াশোনায় মনোনিবেশ করুন।
++ নিজেকে ভালোবাসুন, গভীরভাবে উপলব্ধি করুন নিজের অস্তিত্ব। ভাবুন, আপনার বাবা-মা, শুভাকাঙ্ক্ষীরা আপনাকে কত ভালোবাসেন।
++ পর্যাপ্ত হাল্কা খাবার, চা, কফি মজুদ রাখুন।
++ কয়েকদিন (যেমন ১ সপ্তাহ) একেবারে ঘুরে বেড়ান ফুল, পাখি, লতাপাতা, মানুষ দেখে, পড়ার কথা মনেও আনবেন না বা কোনো বই ধরবেন না একেবারেই। এর পর পড়তে বসুন। বৈরাগ্য অনেক সময় মনোযোগ দিতে সাহায্য করে।
++ গোসল করে পড়তে বসুন, আমি এতে উপকার পাবেন, শারীরিক-মানসিক দু’ভাবেই।
++ যদি খুব দরকার না হয়, বাইরে থেকে এসে জামা কাপড় না পাল্টিয়েই বা অন্য কারও সাথে (যেমন রুমমেট) আলাপচারিতা করার আগেই সরাসরি পড়তে বসুন, ঘণ্টাখানেক বা আপনার উল্লেখ করার মতো অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত পড়ুন। এটা আপনাকে সময় কাজে লাগানোর ব্যাপারে সিরিয়াস করবে।
++ একটানা অনেকক্ষণ পড়তে গেলে গ্লুকোজ শরবত ভালো কাজ দেয়।
