আড়িয়াল খাঁ নদীর সেই উত্তাল রুদ্র মূর্তি নেই। নাব্যতা সংকটের কারণে এখন মুলাদী উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এ নদীর উপর দিয়ে কাজিরচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা এক কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। বাদামতলা এলাকা দিয়ে কাঠেরচর গ্রামের হাজার হাজার মানুষ এখন এ সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচল করেন। কয়েক বছর আগেও এ গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিলো নৌকা। নাব্যতা সংকটে এখন জোয়ারের সময় নৌকা চললেও ভাটার সময় সেই নৌকাও চলাচল করতে পারে না। হাঁটু কিংবা কোমর পর্যন্ত পানিতে পুরুষরা কোনো রকম হেঁটে যাতায়াত করলেও নারী ও শিশুরা ছিল অবরুদ্ধ। পণ্য পরিবহন করতে এখনো জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করে। গ্রামবাসীর এ সমস্যা নিরসনে সরকারি কোনো সহায়তা না পেয়ে নিজেরাই একত্রিত হয়ে উদ্যোগ নিয়ে বাদামতলা এলাকা থেকে কাঠেরচর গ্রাম পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। এত দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো ইতিপূর্বে আর এ অঞ্চলে কেউ দেখেনি বলে বয়স্করা জানান।
