রাজশাহীর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক একরামুল হক চৌধুরীর আদালত গত বুধবার নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মমতাজউদ্দিন হত্যা মামলায় ৯ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ আসামিকে খালাস দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত আলম ও বাবু বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, চণ্ডিগাছা গ্রামের আসলাম হোসেন, আরিফ হোসেন, সাঁইপাড়া গ্রামের আলম, বাহাদুরপুর গ্রামের শামিম ও সুজন, বাবু, ফারুক হোসেন, ইসলামপুর গ্রামের আয়নাল হোসেন ও নেঙ্গপাড়া গ্রামের মিঠু। খালাশপ্রাপ্ত হলেন, বাহাদুরপুরের বাবু ওরফে শুকুর বাবু, সান্টু মিয়া ও বাগাতিপাড়া উপজেলার আনিছুর রহমান। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই রায়ে সন্তুষ্ট নয় বাদিপক্ষ। মামলার বাদি মমতাজ উদ্দিনের ছোট ভাই অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জানান, এ রায়ে আমরা খুশি হতে পারিনি।খুনিদের ৩/৪ জনের ফাঁসি হওয়া উচিত। তিনি বলেন, যার ইন্ধনে মমতাজ উদ্দিনকে হত্যা করা হয় রাজনৈতিক কারণে তাকে বিচারের আওতায় আনা হয়নি। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিহত মমতাজ উদ্দিনের সহধর্মিণী সংরক্ষিত আসনের (ম-২৪) সংসদ সদস্য শেফালী মমতাজ বলেন, রায়ে আমার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন কেউই খুশি হতে পারেনি। আসামিদের ফাঁসি হলে আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হতো। গত বছর ৪ অক্টোবর এই আদালতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর এনতাজুল বাবু। ২০০৩ সালের ৬ জুন রাতে দলীয় কাজ শেষে গোপালপুর থেকে বাড়ি ফেরার সময় নেঙ্গপাড়ায় দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।
