ভৈরবে জমে উঠেছে কয়লার ব্যবসা। উন্মোচন করেছে বিপুল সম্ভাবনার দ্বার। সময় ও খরচ বেঁচে যাওয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠেছেন দেশের বড় ব্যবসায়ীরা। পরিত্যক্ত মেঘনা ফেরিঘাটে এ ব্যবসা জমে ওঠায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে নিষ্প্রাণ পরিত্যক্ত এ ফেরিঘাটে। প্রতিদিন কয়েক হাজার ব্যবসায়ী-শ্রমিকের পদচারণায় মুখরিত এখন ওই এলাকা। ভারত থেকে আমদানীকৃত এসব কয়লা দেশের সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার বড়চড়া, চারগাঁও এলসি স্টেশন এলাকা থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও কার্গোতে করে প্রতিদিন শ’ শ’ টন কয়লা আসছে ভৈরবের পুরাতন মেঘনা ফেরিঘাটে। সেখান থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ট্রাকে করে হচ্ছে বৃহত্তর ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন এলাকায়। ব্যবসায়ীরা জানান, সুনামগঞ্জের স্থলে ভৈরব থেকে কয়লা কেনায় একদিকে যেমন অনেক সময় বেঁচে যায়, অন্যদিকে টন প্রতি খরচ কমে যায় প্রায় ১৪/১৫শ’ টাকা। তাই ভৈরবে জমজমাট হয়ে উঠেছে কয়লার ব্যবসা। এ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ৫০/৬০টি পরিবহন সংস্থার শতাধিক ট্রাক দিন-রাত এ সকল কয়লা সরবরাহ করছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন দোকানপাট, হোটেল, রেস্তোরাঁ। ফলে এখানকার প্রায় ৭/৮শ’ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ায় ৫/৬ হাজার মানুষের অন্নের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিমত প্রশাসন নদীর তীরবর্তী বড় একাধিক পতিত জায়গায় কয়লা ব্যবসার জন্য ব্যবস্থা করে দিলে এখানে দেশের সর্ববৃহত্ কয়লার একক পাইকারী ব্যবসা গড়ে উঠতে ও অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতে পারে।
