প্রিয় বইয়ের ই-বুক ভার্সন খুঁজে পেতে সবচেয়ে ভালো পন্থা হলো ইন্টারনেট। বিশ্বের অন্যান্য দেশে ডিজিটাল লাইব্রেরি থাকলেও আমাদের দেশে এখনও এমন সুযোগ নেই। তাই ইন্টারনেটই ভরসা। গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার পছন্দের ই-বুক খুঁজে পেতে পারেন। এ ছাড়া কিছু জনপ্রিয় ই-বুক সাইট আছে যেগুলোতে প্রচুর ই-বুক পাওয়া যায়। এর জন্য যেতে পারেন গুগলে নিজস্ব ই-বুক সাইট books.google.com-এ। এ ছাড়া যেতে পারেন http://www.ebookdirectory.com, http://www.planetpdf.com_pdf_ebooks.asp, http://knowfree.net/ এই সাইটগুলোতে। এখানে আপনি পাবেন বেশকিছু ই-বুক। এ ছাড়া আছে www.freebookspot.net. www.ebook3000.com, www.techbooksforfree.net, www.torontopubliclibrary.ca, www.netbks.com। সেই সাথে নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করে পাবেন প্রচুর ওয়েবসাইট। আর তথ্যের জন্য উইকিপিডিয়া তো থাকছেই।
নিজেই তৈরি করুন ই-বুক
প্রিয় বই থেকে পৃষ্ঠাগুলো ক্রমানুসারে স্ক্যান করে আপনি নিজেও তৈরি করে নিতে পারেন ই-বুক। বন্ধুদের কাছ থেকে বই ধার নিয়ে তা স্ক্যান করে ইমেজ হিসেবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করুন। এবার সেগুলোকে কোনো ই-বুক তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে একত্র করে তৈরি করতে পারেন ই-বুক। এ ক্ষেত্রে অবশ্য অ্যাডোবি এক্রোবেট ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনের বিভিন্ন সাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে পেস্ট করে সহজেই তৈরি করতে পারেন।
এ ক ন জ রে
++ অনলাইন থেকে বই ডাউনলোডে পিডিএফ কিংবা ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইল হলেই ভালো।
++ এখন অধিকাংশ মোবাইল ফোনেই পিডিএফ অথবা ওয়ার্ড ডকুমেন্ট পড়ার সুযোগ থাকে। আর তাই আপনি আপনার প্রিয় বইটি চাইলেই যেকোনো জায়গাতে পড়তে পারবেন।
++ উইকিপিডিয়ার মতো ফ্রি তথ্যভাণ্ডার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা সাজিয়ে গুছিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন ই-বুক।
++ বাজারে ই-বুকের সিডি খুঁজে দেখতে পারেন। তাহলে এক সিডি/ডিভিডিতে আপনি অনেকগুলো বই পেয়ে যাবেন।
++ ই-বুক রিডার নামে এক ধরনের যন্ত্র এখন বাজারে পাওয়া যায়। ডিজিটাল ডাইরির মতো দেখতে এই যন্ত্রে খুব সহজে ই-বুক পড়া যায়।
