মৌলভীবাজারে বিরল প্রজাতির শকুন

আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৩, ২১:২১
মৌলভীবাজারের বর্ষিজুরা ফরেস্ট বিটের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের গবেষকরা বিরল প্রজাতির অসুস্থ একটি অতিথি কালা শকুনকে চিকিত্সাসহ সেবা-যত্ন করছেন। বন্যপ্রাণী গবেষক তানিয়া খান প্রায় ২ মাস ধরে পাখিটিকে দেখভাল করছেন। প্রতিদিন এটিকে গোসল করানোসহ প্রায় ২ কেজি মুরগির মাংস খাওয়ানো হচ্ছে। বর্তমানে পাখিটি অনেকটা সুস্থ হলেও ডানা ও লেজে ওড়ার জন্য পর্যাপ্ত পালক না থাকায় এটিকে মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এটি বিরল প্রজাতির একটি কালা শকুন। এরা হিমালয়ের কাছাকাছি ও ভারত-নেপাল অঞ্চলে বিচরণ করে থাকে। এদেশের শকুনকে বলা হয় বাংলা শকুন। বাংলা শকুনের মতো এরা দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা করে না। কালা শকুন সাধারণত একা বা জোড়া বেঁধে চলাফেরা করে থাকে। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এদের কালেভদ্রে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এই শকুনটি খাবার জোগাড় করতে না পেরে উড়তে উড়তে একসময় দুর্বল হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর গ্রামে নেমে আসে। এরপর স্থানীয়দের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে আহত ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, এটি একটি বিরল প্রজাতির শকুন।