জাতীয় জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিল্পকর্মের বিশেষ প্রদর্শনী

আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৩, ২২:০১
জাতীয় জাদুঘরের শততম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের তরুণ শিল্পীদের আঁকা শিল্পকর্ম ও জাদুঘরের সংগৃহীত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিল্পকর্ম নিয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) আমিন আহমেদ চৌধুরী, বীর বিক্রম এবং ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজ-এর সভাপতি এম আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাদুঘরের মহাপরিচালক প্রকাশ চন্দ্র দাস। এইচটি ইমাম বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদ অংকুরিত হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সেই চেতনাকে প্রস্ফুটিত করেছিলেন বলেই বাঙালি আজ স্বাধীন। ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলেন, সকল হতাশা দূর করে তরুণ প্রজন্ম একাত্তরের চেতনায় সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তুলবে তরুণদের শিল্পকর্ম সে কথাই বলে। শিল্পী মোস্তফা মনোয়ার, হাশেম খান এবং আবুল বারক আলভী সংগৃহীত শিল্পকমের্র মধ্যে থেকে ৩ জন শিল্পীকে শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে নির্বাচিত করেন। শিল্পী বিশ্বজিত্ গোস্বামী তার ‘শারীরিক অস্তিত্ব ও বিবর্তন-১, ২ ও ৩’ সিরিজ, শিল্পী মো. মাহমুদুল হাসান তার ‘দুরন্ত’ এবং শিল্পী মো. জাহিদ হোসেন ‘যুদ্ধের সময়-৩’ শিরোনামের শিল্পকর্মের জন্য শ্রেষ্ঠ শিল্পী নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেককে জাদুঘরের পক্ষ থেকে একটি সম্মাননাপত্র এবং পঞ্চাশ হাজার টাকার প্রাইজমানি প্রদান করা হয়। জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে এ প্রদর্শনীতে তরুণ শিল্পীদের ৫৩টি এবং জাতীয় জাদুঘরে সংগৃহীত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ৪৭টি শিল্পকর্ম স্থান পাচ্ছে। প্রদর্শনী আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত শনিবার থেকে বুধবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।