বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের প্রয়াণের খবর দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ফলাও করে প্রচার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, বিটেনের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংস্থা, পত্রিকাসহ প্রতিবেশি দেশ ভারতের প্রায় সকল গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে রাষ্ট্রপতির মৃত্যু খবর। আনন্দবাজার পত্রিকার শিরোনাম করা হয়েছে ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান প্রয়াত’। বিবিসি’র শিরোনাম ছিল অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মৃত্যু। প্রতিবেদনে বলা হয়, জিল্লুর রহমান দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তার ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়। এছাড়া ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর তাকে কারাবন্দি করা হয়।
সিএনএন’র অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮৪ বছর বয়সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মৃত্যু। এতে বলা হয়, ২০০৯ সালে বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি হন জিল্লুর রহমান। প্রতিবেদনে জিল্লুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
গ্লোবাল পোস্টের শিরোনাম ছিল রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে শোকাহত বাংলাদেশ। হিন্দু বিজনেস লাইনের শিরোনামে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে বাংলাদেশে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুরু। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের শিরোনাম হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে বাংলাদেশে শোক। এবিসির অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম হয়েছে, ৮৪ বছর বয়সে বাংলাদেশের প্রধান ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির মৃত্যু। আল জাজিরার অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম করা হয়েছে, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মৃত্যু। ফক্স নিউজের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শিরোনাম করা হয়েছে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের মৃত্যু।
