তারুণ্য.কম

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৩, ১৬:২৮
দ্য ডার্কনেস টু জনপ্রিয় লেখক পল জেনকিনের দ্য ডার্কনেস গল্পের কাহিনী নিয়ে গেমটি তৈরি হয়েছে। উইন্ডোজ, প্লেস্টেশন থ্রি ও এক্সবক্স ৩৬০ প্লাটফর্মে তৈরি এ গেম বাজারে আসার সাথে সাথেই গেমারদের মন জয় করে নিয়েছে। ফার্স্টপারসন শুটার গেম হলেও এতে বাড়তি হিসেবে ভীতিদায়ক বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে। গেমে জ্যাকিকে কয়েকবার পুর্নজন্ম হতে দেখা যাবে এবং প্রতিবারই সে মৃত প্রেমিকাকে খোঁজার চেষ্টা করবে। তবে এখানে নকল প্রেমিকা হিসেবে আরেকজন হাজির হবে যে জ্যাকিকে পরাস্থ করার চেষ্টা করবে। অবশেষে জ্যাকি নিশ্চিত হবে তার প্রেমিকা সত্যই মারা গেছে এবং গেমের শেষে তাকে কাঁদতে দেখা যাবে। গেমটি খেলতে যা লাগবে :উইন্ডোজ এক্সপি, ইন্টেল কোর টু ডুয়ো, ২ গিগাহার্জ প্রসেসর, ২ গিগাবাইট র্যাম, ২৫৬ মেগাবাইট সমৃদ্ধ এনভিদিয়া জিফোর্স ৮৬০০ জিটি বা এটিআই রেডিয়ন এইচডি ২৬০০ মডেলের গ্রাফিক্স কার্ড, ডিরেক্টএক্স সমর্থিত সাউন্ড কার্ড ও ১০ গিগাবাইট হার্ডডিক্স স্পেস। গেমটি ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন : http://www.gam espot.com/the-darkness-ii/ সেরা মেসি লিওনেল আন্দ্রেস লিও মেসি একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার, যিনি লা লিগার দল বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। মেসি আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জর্জ হোরাসিও মেসি স্টিল কারখানায় কাজ করতেন এবং মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি ছিলেন একজন পার্ট-টাইম ক্লিনার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে, মেসি স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলির হয়ে খেলতে শুরু করেন, যার কোচ ছিলেন তার বাবা জর্জ। বার্সেলোনার তত্কালীন স্পোর্টিং ডিরেক্টর চার্লস রেক্সাস মেসির প্রতিভা সম্পর্কে জানতে পারেন। তিনি মেসির খেলা দেখে মুগ্ধ হন। তখন হাতের কাছে কোনো কাগজ না পেয়ে একটি ন্যাপকিন পেপারে চুক্তি স্বাক্ষর করেন তিনি। সেই সময় থেকে মেসির ক্যারিয়ারের শুরু। আর আজ তিনি জায়গা করে নিয়েছেন সবার হূদয়ে। বার্সা-যুগের সমাপ্তি—এই সেদিনও এমন কথা অনেকে বলেছেন। তারও জবাব দিয়ে দিলেন মেসিরা। টানা চারবার মেসি শুধু ফিফা বর্ষসেরাই হননি, টানা চার মৌসুম ধরে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাও। তার সম্পর্কে আরও জানতে ভিজিট করুন :http://w ww.thesun.co.uk/sol/homep age/sport/football/4846 568/Lionel-Messi-in-the-raw.html সাইটটি। ড্রাইভ ইন্টু ওয়েব প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো এইচটিএমএল। এরপর সিএসএস, জাভা, জে কোয়েরিসহ আরও অনেক ল্যাঙ্গুয়েজই চলে আসছে। সম্প্রতি পরিবর্তন এসেছে এই ল্যাঙ্গুয়েজগুলোর। বেশ কয়েকদিন হলো এইচটিএমএল৫, সিএসএস৩ এবং জে-কোয়েরি ওয়েবের চেহারা পাল্টে গেছে। এইচটিএমএল৫-এর কিছু কিছু ফিচার এখনও অনেক ব্রাউজার ঠিকমতো সাপোর্ট করে না। পাশাপাশি অনেক ওয়েবডেভেলপারদের মধ্যে এইচটিএমএল৫ বিষয়ে রয়েছে নানা ধরনের অজ্ঞতা। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা, এইচটিএমএল৫-এর অনেক ফিচার সম্পর্কেই জানেন না। আর তাই সকলের জন্য সহায়ক হবে এমন কিছু ওয়েব সাইট রয়েছে অনলাইনের ভুবনে। সাইটটিতে হাতে কলমে শেখানো হয়েছে এইচটিএমএল৫। সাইটটির ঠিকানা :http://diveintoh tml5.info/ টুইটার ভিডিও শেয়ারিং টুল সোশ্যাল সাইটগুলোর মধ্যে ফেসবুক এগিয়ে। এর মূল কারণ হলো ফটোশেয়ারিং সুবিধা। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মানুষ তাদের ফটো শেয়ারিং করছেন খুব সহজে এই সাইটের মাধ্যমে। সেই প্রতিযোগিতার সাথে পাল্লা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট টুইটার একটি নতুন ফটো শেয়ারিং টুল চালু করেছিল। টুইটারে টুইটপিক ও ওয়াইফ্রগের মতো দুটি ফটো শেয়ারিং টুল ইতোমধ্যেই চালু আছে। এই শেয়ারিং টুলটি ইতোমধ্যে টুইটারে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। টুইটারের ওয়েব সাইটে হোয়াট ইজ হ্যাপেনিং বক্সে ক্লিক করলে নিচের দিকে একটি ক্যামেরা আইকন দেখা যাবে। বিস্তারিত জানতে যেতে পারেন এই সাইটে :http://mas hable.com/