চিকিত্সা বিজ্ঞানের উন্নতি আমাদের দিনকে দিন আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। নিত্য নতুন চিকিত্সার অগ্রগতি আমাদের জীবনধারা পাল্টে দিয়েছে বহুলাংশে। আর এসব পরিবর্তনের পিছনে কাজ করছেন বেশ কিছু মেধাবী তরুণ তরুনী। তাদের সেবা, পাশাপাশি ড্রাগ বা ওষুধের নিত্য নতুন উদ্ভাবন চিকিত্সা সেবাকে নিয়ে গেছে এক অন্য উচ্চতায়। আর এই সেবাদানকারীরা হলেন ফার্মাসিস্ট। তাদের মধ্য থেকে কিছু প্রতিভাবান ফার্মাসিস্টদের কথা লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
মা রি য়া ফ্রা ঙ্গো স
কিশোরী বয়সেই তিনি তার ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার গড়তে ফার্মেসিতে পড়াশোনা শুরু করেন। নিজেকে ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করেন। আর তারই ফল হিসেবে মারিয়া মাত্র ২৫ বছর বয়সে তার নিজের প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। এ প্রতিষ্ঠানটি তার বাবার। মারিয়া সেখানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। প্রথমে তিনি ফার্মেসি ইন্টার্নি হিসেবে যোগ দেন। এরপর নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তিনি তার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ফার্মাসিস্ট হওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। ফলে ম্যানেজমেন্ট পড়া বাদ দিয়ে তিনি ফার্মেসি পড়া শুরু করে ছিলেন।
জ ন ডো নে ন ফি ল্ড
তরুণ ফার্মাসিস্ট জন খুব বেশিদিন ধরে প্রফেশনালি প্র্যাকটিস করছেন এমনটা না, কিন্তু অল্প কয়েক বছরেই বেশ নাম কামিয়ে ফেলেছেন তিনি। তার খ্যাতির শুরুটা হয় ২০১০ সালে, সাও পাওলোতে একটা হেল্থ কেয়ার পুরস্কার জেতার মাধ্যমে। ২০১০ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে একটি হেল্থ কেয়ার প্রোগ্রামের অয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ফার্মাসিস্টদের মেলা বসে, অনেকটা কনফারেন্সের মতো। সেখানে তিনি প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলেন। এখান থেকেই মূলত তার অনুরেপ্রণা পাওয়া এবং পথচলার শুরু। জন ডোনেনফিল্ড আজ ফার্মাসিস্ট হিসেবে দুনিয়াখ্যাত।
মা ই কে ল পে ন
একজন ফার্মাসিস্টের মেডিকেল প্রফেশনে ডিগ্রি থাকে যার ফলে তারা বিভিন্ন ডিসপেনসারিতে রোগীদের পর্যবেক্ষণ করতে পারেন সেই সাথে তাদের প্রেসক্রাইবও করতে পারেন। এমনই একজন ফার্মাসিস্ট হলেন মাইকেল পেন। তিনি খুব ছোটবেলা থেকেই চাইতেন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন। কিন্তু অর্থের কারণে তার ডাক্তারি পড়া মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনি হতাশ না হয়ে এগিয়ে যান। তিনি এক ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ফার্মাসিটিক্যাল ডিগ্রি নেন। এরপর শুরু করেন প্রাইভেট প্র্যাকটিস। তার এলাকায় অসংখ্য মানুষ তার চিকিত্সার সেবায় উপকৃত হচ্ছেন।
সা রা হ প্রি ভে টি
সারাহর জন্ম ব্রিটেনের মসকট শহরে। সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। সেখানকার পরিবেশ খুব ভালো লাগত তার। তার পরিবার বলতে শুধু তার বাবা। খুব ছোট বেলাতেই তার মা মারা গিয়েছিলেন। বাবা ও রায়ান দুজন মিলে সংসারটা চালিয়ে নিত। পরে তার বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারটা সামলাতে বেশ কষ্টে পড়তে হয় তাদের। সেসময় সংসারের হাল ধরতে হয় সারাকে। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন ফার্মাসিস্টের কাজটি। বর্তমানে তিনি বেশ সফল ফার্মাসিস্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ডা. নো রা
বর্তমানে ফার্মাসিস্টরা তাদের গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর আবারও যান ফর্মাডি নামের একটি ডিগ্রি করার জন্য। এটা হলো, ‘ডক্টরেট অব ফার্মাসি ডিগি’। কলেজের শিক্ষার্থীরা চার বছর শেষ করে ২ বছরের এই কোর্সটি করেন। এরপর শুরু করেন তাদের নিজেদের ফার্মেসি। এমনই পথে হেঁটে আসা একজন হলেন নোরা । তিনি পড়াশোনা শেষ করে ডক্টরেট করেন এই বিষয়ের উপর। এরপর তার নিজস্ব ফার্মেসি খুলে বসেন। তার সাথে তার একটা বন্ধুও এই কাজে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তার প্রি-ফার্মেসি কোর্সও করা আছে। দু বন্ধু মিলে তাদের ফার্মেসিকে সেরা পর্যায়ে তুলে এনেছেন।
