গল্প নয় সত্যি

দুশ্চিন্তা বেশি মেয়েদের!

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৩, ১৯:৫৬
জীবনে যেকোনো সময়ে যে কারও জীবনেই চিন্তিত হওয়ার মতো ঘটনা এসে উপস্থিত হতে পারে। আর তাই দুশ্চিন্তার যে কোনো বয়স বা লিঙ্গভেদে তারতম্য হতে পারে একথা বোধ করি অনেকের কাছেই গোলমেলে ঠেকবে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে এক গবেষণার সূত্র ধরে একদল মার্কিন গবেষক দাবি করেছেন, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এবং বেশি বয়সীদের তুলনায় কম বয়সীরাই দুশ্চিন্তায় বেশি ভোগেন। আলোচিত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন আমেরিকার সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের গবেষকরা। এতে দেখা যায় গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের মধ্যে শতকরা ২২ শতাংশ যেখানে নানা ধরনের বিষয় নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা বা বিচলিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন সেখানে একই ধরনের প্রশ্নের উত্তরে নিজেদের দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন ১৬ শতাংশ বা ৬ শতাংশ কম পুরুষ। ২০১০ ও ২০১১ সালে দুই বছর সময় নিয়ে পরিচালিত এই জরিপে আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও বয়সভেদে নানা ধরনের অংশগ্রহণকারীদের কাছে তারা কতদিন পর পর হতাশাগ্রস্ত বোধ করেন বা কোনো বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এ ধরনের নানা তথ্য জানতে চাওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী উদ্বেগজনক ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার মাত্রাকে দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক বা এক বছরে কয়েকবার বা কখনোই না প্রভৃতি কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। এরপর গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য বিশে¬ষণ করে দেখা যায়, পুরুষদের মধ্যে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের শতকরা ১৭ ভাগ এবং ৪৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৮ শতাংশ প্রতিদিন বা সপ্তাহে একদিন উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। অন্যদিকে ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে একই ধরনের উদ্বেগ অর্থাত্ প্রাত্যহিক বা সাপ্তাহিক উদ্বেগের মাত্রা শতকরা ২৩ শতাংশ। অথচ বয়সের দিক থেকে ছেলে বা মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের এ রকম উদ্বিগ্ন হওয়ার হার যথাক্রমে মাত্র ১১ ও ১৬ শতাংশ। গবেষণার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এর মরবিডিটি অ্যান্ড মর্টালিটি উইকলি রিপোর্টে।