ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার খড়িয়ালা বাসস্ট্যান্ডের মসজিদের ইমাম নিয়ে সংঘর্ষের জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে আবারো দুদল গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ১০ জনের অবস্থা আশংকাজনক। আহতদের জেলা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। দাঙ্গাবাজরা খড়িয়ালা গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়ির ১০/১২টি ঘর ভাঙচুর করে এবং বেশ কয়েকটি বনের স্তূপ পুড়িয়ে দেয়। এ সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ৯টা থেকে ১০টা প্রায় একঘণ্টা যানচলাচল বন্ধ থাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় উপজেলার খড়িয়ালা গ্রামের বাসস্ট্যান্ডের মসজিদের ইমাম সুন্নি না তাবলিগ জামাত এ নিয়ে খড়িয়ালা গ্রামের বুলিমাহমুদের বাড়ি ও স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল হক মাস্টারের বাড়ির লোকজনের মধ্যে প্রথম গত ১৯ মার্চ এক সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে এই দুই বাড়ির সহস্রাধিক লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহাসড়কের ওপর সংঘর্ষে নেমে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের ৫০ জন লোক আহত হয়। খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ স্থানীয় লোকদের সহযোগিতায় ব্যাপক লাঠিচার্জ করে একঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
