বিদেশের মিশনগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪২তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। নয়াদিল্লী, ইসলামাবাদসহ বিভিন্ন মিশনে স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নয়াদিল¬ীস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক এ করিম। এরপর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এডভোকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দিপু মনির বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
এ সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির উন্নতি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এ সময় ডেপুটি হাইকমিশনার মাহাবুব হাসান সালেহ, মিনিস্টার প্রেস ইনামুল হক চৌধুরীসহ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। সন্ধায় হাই কমিশনার তারিক এ করিম এবং মিসেস নাগমা করিম এক সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এতে ভারতের মন্ত্রিসভার সদস্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মিত্র বাহিনীর অফিসার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া, দি হিন্দু, পাইওনিয়ার, মিলেনিয়াম পোস্টসহ বিভিন্ন ম্যাগাজিন এবং পত্র-পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার সোহরাব হোসেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। হাইকমিশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় হাইকমিশনার সোহরাব হোসেন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে প্রতিরোধ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। সন্ধ্যায় হাইকমিশন স্থানীয় একটি হোটেলে সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এতে রাজনীতিবিদ, ঊর্ধ্বতন সামরিক বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও কূটনীতিকরা যোগ দেন।
