গতকাল নারায়ণগঞ্জের ‘টক অব দ্য টাউন’ ছিল ত্বকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এমপি ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমানের জামিন আবেদনের ঘটনা। তিনি বলেছেন, জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে বলে তিনি মিথ্যা প্রচারণার শিকার হয়েছেন। শামীম ওসমান ছাড়া আবেদনকারী বাকি চারজন হচ্ছেন, তার ছেলে অয়ন ওসমান, জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জের প্রজন্ম ৭১ মঞ্চের উদ্যোক্তা জহিরুল ইসলাম পারভেজ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপ-সম্পাদক রাজীব দাস। সোমবার শামীম ওসমানের জামিন আবেদন ‘নাকচ’ হবার খবর বিভিন্ন টিভি স্ক্রলে দেখানোর পরে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, শামীম ওসমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে শামীম ওসমানের আইনজীবী এডভোকেট বাসেত মজুমদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সোমবার সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি বদরুজ্জামানের অবকাশকালীন বেঞ্চে শামীম ওসমানসহ ৪জনের আগাম জামিন-এর আবেদন করা হয়। ঐ বেঞ্চ শামীম ওসমানের আবেদনটি গ্রহণ না করে রেগুলার (নিয়মিত) বেঞ্চে আবেদন করার পরামর্শ দেন। এখানে জামিন নাকচের কোন ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে হাইকোর্টে জামিন চাওয়া প্রসঙ্গে সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান ইত্তেফাককে বলেন, ত্বকী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মহল আমাকে ও আমার পরিবারকে জড়ানোর চেষ্টা করছে। গত রোববার সংবাদ সম্মেলন করে পাসপোর্ট দেখালাম, ত্বকি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে হত্যাকাণ্ডের সময় দেশের বাইরে ছিলাম। তারপরও আমাকে খুনি বলা হচ্ছে। তাদের মত ক্ষমতাশীলদের ষড়যন্ত্রের কাছে আমি অসহায় হয়েই আইনের আশ্রয় নিতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ নিয়মিত বেঞ্চে যাওয়ার পরামর্শ দেয় এবং সেখানেও আমার জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে বলে মিথ্যা প্রচারণার শিকার হয়েছি।
