অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাপারে আশাবাদী আর্থার

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৯
সদ্য সমাপ্ত ভারত সফরকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিনতম উল্লে¬খ করেছেন অস্ট্রেলিয়া কোচ মিকি আর্থার। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে তার দল আবারো শীর্ষ স্থান ফিরে পাবে বলে আত্মপ্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আর্থার। ভারতের কাছে ০-৪ ম্যাচে টেস্ট সিরিজে হোয়াইট-ওয়াশ হওয়াটা ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে এ যাবত্কালে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে খারাপ ফল। এছাড়া ১৯৭৮-৭৯ এ্যাশেজ সিরিজে ১-৫ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজয়ের চেয়েও খারাপ ফল। আর্থারের উদ্ধৃতি দিয়ে হেরাল্ড সান পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ‘আমি প্রকাশ্যেই বলছি- আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কঠিন সফর ছিল এবারের ভারত সফর। সফর এবং খেলার জন্য ভারত একটা কঠিন জায়গা, জয়ের জন্যও এটা সবচেয়ে কঠিন স্থান।’ ‘আমি মনে করি আমরা সামনের দিকেই এগিয়ে চলেছি, সঠিক পথেই এগুচ্ছি এবং আশা করছি অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের জন্য সত্যিকারভাবেই এটা একটা ভাল ভিত্তি হিসাবে কাজ করবে। আমরা এ সময়ে বহুবার একথা বলেছি আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে এবং বর্তমানে আমরা তৃতীয় স্থানে থাকতে পারি। কিন্তু আমরা তা মেনে নিতে পারছি না। আমরা বিশ্বের এক নম্বর হতে চাই। আমরা দলে এমন কিছু স্টাফ আছি যারা বিশ্বাস করি আগামী ২৪ মাসের মধ্যেই সেটা সম্ভব।’ অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক ও সহ-অধিনায়ক শেন ওয়াটসনের মধ্যে খারাপ সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেন আর্থার। দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেয়া আর্থার বলেন, ‘দলের পরিবেশটা খুবই চমত্কার। খেলোয়াড়রা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করছে। সত্যিকারার্থেই আমরা একদল তরুণ খেলোয়াড় পেয়েছি। যারা বিশ্ব ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে শীর্ষস্থানে দেখা ছাড়া আর কিছুই চায় না। মাইকেল ও ওয়াটসনের মধ্যে দূরত্বের বিষয়টা একেবারেই হাস্যকর। তারা ভিন্নধর্মী চরিত্র ও ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তবে সত্যিই তাদের মধ্যে সম্পর্কটা খুব ভাল। গণমাধ্যম কখনো কখনো তাদের মধ্যে দূরত্বের খবর প্রকাশ করে। কিন্তু তারা সব সময়ই একত্রিত হয়ে কাজ করে আসছে এবং করে। এর বাইরে আমি কিছু দেখিনি।’ অত্যন্ত কঠিন কন্ডিশনের কারণে ভারত সফরের আগেই তিনি চিন্তিত ছিলেন বলে স্বীকার করেন আর্থার, ‘এখানে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী কন্ডিশন। সত্যি কথা বলতে একগাদা তরুণ ক্রিকেটার নিয়ে ভারতের কন্ডিশনে খেলতে যাওয়ার আগ থেকেই আমি চিন্তিত ছিলাম। আপনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে বসে বলতে পারেন এভাবে খেল। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা না হলে কেউ উপলব্ধি করতে পারে না।’