ব্যাকপেইন বা পিঠে ব্যথা হলেই বাংলাদেশের কিছু কিছু চিকিত্সক ওতপেতে বসে থাকেন এবার বুঝি একটা এমআরআইযের রোগী পাওয়া গেলো। কারণ এমআরআই হলেই বেশি লাভ। অবশ্য বেশিরভাগ ডাক্তারই ভালো এবং তারা লাভের জন্য ব্যায়বহুল এমআরআই পরীক্ষা করতে দেন না। আর লোয়ার ব্যাক পেইনে এমআরআই পরীক্ষার কোন প্রয়োজন নেই এমন একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকান মেডিক্যাল এসোসিয়েশন জার্নালে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, কানাডার দুটি হসপিটালে করানো এমআরআই-য়ের অর্ধেকই অপ্রয়োজনীয় ছিল। রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৩ সালে শুধু কানাডায় ১৭ লক্ষ এমআরআই করা হয়। এসব এমআরআইয়ের মধ্যে ৩৪ শতাংশের ব্যবস্থাপত্র পাওয়া যায় ফ্যামিলি চিকিত্সকদের কাছ থেকে। রিপোর্টে দেখা যায়, লোয়ার ব্যাক পেইনের ক্ষেত্রে ১ হাজার এমআরআইয়ের ক্ষেত্রে ৪৪৩ জনের এমআরআইয়ের কোন প্রয়োজন ছিলো না। উল্লেখ্য এমআরআই একটি ব্যায়বহুল পরীক্ষা। চিকিত্সদের অপ্রয়োজনে এসব পরীক্ষা করানো মোটেই উচিত নয়। বিশেষজ্ঞগণ আরও উল্লেখ করেছেন, ব্যাক পেইন বা লোয়ার ব্যাক পেইনে ব্যথা হলে প্রথমে কোন অর্থপেডিক বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি রোগীর কাছ থেকে ব্যথার ইতিহাস জেনে ওষুধ দেবেন। প্রাথমিকভাবে যথাযথ চিকিত্সায় পিঠের ব্যথা নিরাময় না হলে তখন কেবল ব্যায়বহুল পরীক্ষার কথা ভাবতে হবে।
