মাত্র ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করেন। আর প্রথম যখন একটি কোম্পানিতে যোগ দেন তখন তার বয়স ১৫ বছর। তার সেই কোম্পানির নাম ছিল, ফ্লুইড ডিজাইন। তিনি তার ব্লগে ঘোষণা দিয়েছেন, নিজের অটোবায়োগ্রাফি সংযুক্ত করবেন এবং নাম দেবেন, ‘অ্যান্ড আই থট মাই সেল্ফ’। সাধারণত সবাই প্রতিদিন যা করে সেসব নিয়েই আলাপ করে তাদের ব্লগে কিন্তু তিনি ব্যতিক্রম। সেখানে লেখা আছে তার স্বপ্নের কথা। তিনি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। তবে সব সময়ই একজন লিডারের ভূমিকায় থাকতে চান তিনি। তিনি বলেন, ‘দ্যটস হু আই অ্যাম’। সত্যিই তিনি মেধাবী; একাধারে ফটোগ্রাফি, ফিল্ম মেকিং, অভিনয়, ব্লগ লেখক, টাকা আয় করা সব দিকেই রয়েছে তার প্রতিভা। আর তাই তিনি সবকিছুকে একত্রে মিলিয়ে নিজের পরিচয় দিয়েছেন, একজন ইন্টারপ্রেনার অর্থাত্, ‘উদ্যোক্তা’ হিসেবে। মানুষ সে কাজে সফলতা লাভ করে যে কাজ করে সে আত্মতৃপ্তি পায়। তেমনই একজন আমাদের আলোচিত ব্যক্তিত্ব, স্পাইন্স। নিজের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি চান তা সকলের উপকার করতে চান, কারণ মানুষের সেবার মাঝে তিনি আত্মতৃপ্তি খুঁজে পান। তিনি স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। তবে অ্যাস্ট্রোলজিতেও তার দারুণ আগ্রহ ছিল। তিনি মনে করেন, পড়া কখনও শেষ হয় না। আর মন দিয়ে পড়লে, পড়াশোনাকে ভালোবাসলে অনেক কিছুই শেখা যায়। তিনি বেশ অল্প বয়সেই ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে সেটা ছিল সেফ্র আনন্দের উত্স। তিনি ও তার বন্ধুরা মিলে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। সেইসব প্রতিযোগিতাগুলো ছিল বিনোদনধর্মী। এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণের ব্যবস্থাও রেখেছিলেন তিনি। তবে সেই প্রতিযোগিতা দেখার জন্য ছিল টিকেটের ব্যবস্থা অর্থাত্ এন্ট্রি ফি। এক কথায় যা ছিল একটি ব্যবসাসফল উদ্যোগ। এর ঠিক ৭ বছর পরের কথা, তখন হাইস্কুলে গ্র্যাজুয়েশন করছেন। এর মধ্যেই তিনি যথেষ্ট নাম কামিয়ে ফেলেছেন একজন ভারতীয় ইন্টারনেট উদ্যোক্তা হিসেবে। তার প্রথমদিকের করা একটি ওয়েব সাইট হলো ‘মেডিটেশন রকস ডট ইউএস’ নামের একটি সাইট। তিনি সে সময় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করতেন। সম্প্রতি তিনি টিনেজদের উপর একটি ইলেক্ট্রনিক ম্যাগাজিন লেখার কাজ করছেন। একই সাথে বিজ্ঞানের ‘ইন্টারসেকশন অব স্পিরিচুয়েটি অ্যান্ড সায়েন্স’ নিয়ে কাজ করছেন। এ ছাড়া তিনি তরুণদের নিয়ে সিনেমাও বানাচ্ছেন। সিনেমাটির নাম দিয়েছেন, ‘ফ্রেন্ডস :দ্য মুভি’। নাম শুনেই বুঝা যায়, বন্ধুদের নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে সিনেমাটি। তার ব্লগ থেকে শেষ খবর পাওয়া গেছে, খুব শীঘ্রই তিনি টিনেজারদের নিয়ে একটি কনফারেন্স করতে যাচ্ছেন। এই কনফারেন্সের মূল আলোচ্য বিষয় হলো—তরুণ প্রজন্ম কী করতে পারে কিংবা তারা বিশ্বকে তাদের কাজের মাধ্যমে কতটা প্রভাবিত করতে পারে। এক অর্থে বলা যায়, এই বৈঠক ব্লগারদের কাছে একটি সুযোগের দ্বার খুলে দিতে পারে যাতে তারা, যাতে তারা ব্লগিং ছাড়াও অনেক ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সুযোগ পাবেন।
