আপনি কি সন্দেহপ্রবণ?

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৩, ১৫:৫৩
সন্দেহপ্রবণতা একটি মানসিক ব্যাধি। এটি আপনার স্বাভাবিক জীবনকে জটিল করে তুলতে পারে। অকারণ সন্দেহে আপনি যেমন স্বস্তি পাবেন না , তেমনি অন্যকেও পড়তে হতে পারে বিব্রতকর অবস্থায়। তবে এর মানে এই নয় যে, আমরা আপনাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে বলছি। আপনি নিজেই জেনে নিন আপনার সন্দেহবাতিকতা কতটুকু, আর কীভাবেই বা নিজেকে শুধরে নেবেন? ১. অফিসে কেউ নিজ থেকে আপনার সাথে পরিচিত হতে এলে... ক. প্রথমেই বন্ধুত্ব করে ফেলেন। খ. স্বাভাবিক কথাবার্তা বলেন। গ. কোনো উদ্দেশ্য আছে ভেবে বসে থাকেন। ২. আপনার বন্ধু অন্যদের সাথে কথা বললে আপনি ভাবেন... ক. আপনার দুর্নাম করছে। খ. কোনো কাজের প্রয়োজনে কথা বলছে। গ. কিছুই ভাবেন না। ৩. কাউকে নিজের চেয়েও যোগ্য মনে হলে... ক. ভয় পান, যদি আপনার অবমূল্যায়ন হয়। খ. খুশি হন যদি তার থেকে কিছু শেখা যায়। গ. কোনো অনুভূতি হয় না। ৪. মানিব্যাগের টাকাটা প্রতিদিন... ক. সকাল-বিকাল চেক করেন। খ. টাকা খরচের হিসেব রাখেন। গ. হিসাব কখনও রাখেন না। ৫. কারও সাথে কথা বলার সময়... ক. ভীত থাকেন, কেউ খোঁচা দিল কি না। খ. সহজ ও স্বাভাবিক থাকেন। গ. কে কী ভাবছে মোটেও পাত্তা দেন না। ৬. আপনি কী মনে করেন? ক. মানুষকে কখনোই বিশ্বাস করতে হয় না খ. শুধু পরীক্ষিত মানুষকেই বিশ্বাস করতে হয় গ. সকলকেই বিশ্বাস করতে হয় ৭. সহকর্মীর বাড়িতে নিমন্ত্রণ পেলে ভাবেন... ক. সে চাচ্ছে না, আপনি যান। খ. কোনো উদ্দেশ্য আছে নিশ্চয়। গ. কিছুই মনে করেন না। ৮. উপরের কোনো কর্মকর্তা সহকর্মীকে উপহার দিলে... ক. অখুশি হন। খ. খুশি হন। গ. কিছুই মনে করেন না। ৯. নিজে থেকে কোনো সহকর্মী আপনাকে উপহার দিলে... ক. ভাবেন নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য আছে। খ. স্বাভাবিকভাবেই আপনি কৃতজ্ঞ হন। গ. কোনো ভাবান্তর হয় না। ১০. আপনার পছন্দের কোনো জিনিস কেউ ধার চাইলে... ক. যদি হারিয়ে যায় এই ভয়ে ধার দেন না। খ. অনেক সময় দেন। গ. সাথে সাথেই দিয়ে দেন। ফলাফল ০-১০ :আপনি উদাসীন এবং বেশি মাত্রায় সহজ-সরল, আপনার এই দৃষ্টিভঙ্গি জীবনে অনেক ভোগাবে। সবকিছুকে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুই ভাগে ভাগ করে নিন। আপনি অবশ্যই মানুষকে বিশ্বাস করবেন, তবে পর্যবেক্ষণী দৃষ্টিতে। ১১-২০ :মানুষের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত। এই মানসিক অবস্থান নিয়ে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে। আপনার এই বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি যেন বজায় থাকে। যেকোনো প্রতিকূল সময়েও সতর্ক থাকুন। ২১-৩০ :একজন স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে আপনাকে সকলকেই সহজে বিশ্বাস করতে হবে। আপনি এতটা সন্দেহ নিয়ে তো চলতে পারবেন না জীবনে। চিন্তায়-চেতনায় আরও বেশি ইতিবাচক হোন। নইলে আপনি তো আস্থা হারাবেনই, অনেকেই আপনার উপর আস্থা রাখতে পারবে না। আপনার স্কোর ক খ গ ১. ৩ ২ ১ ২. ৩ ২ ১ ৩. ৩ ২ ১ ৪. ৩ ২ ১ ৫. ৩ ২ ১ ৬. ৩ ২ ১ ৭. ৩ ২ ১ ৮. ৩ ২ ১ ৯. ৩ ২ ১ ১০. ৩ ২ ১