এইচ তালুকদার আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অ্যাভিয়েশন সেক্টরে দিন দিন চাকরির বাজার প্রসারিত হচ্ছে। এই মুহূর্তে অ্যাভিয়েশন সেক্টরে বিপুল দক্ষ লোকের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। যার ফলে ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে জনবল সেভাবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এখানে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার এটাই আদর্শ সময়। শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ভর্তিযুদ্ধ নিয়ে হিমশিম খেয়ে যান। অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেখানে ৪ বছরে ১০-২০ লক্ষ টাকা দিয়ে পড়াশোনা করেও ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়তে হয়, সেখানে এসএসসি বা ‘ও’ লেভেলের পর ইউকে সরকার ও জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত ৪ বছরে অনার্স ডিগ্রি করতে পারেন কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে। এই ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেভেল-৩ বা এ লেভেল, ১৮ মাস লেভেল-৫ এবং ১ বছর ইউকেতে কিংসটন ইউনিভার্সিটিতে টপআপ বিএসসি করতে হবে। আজকাল কারিগরি ও ভিন্নধর্মী শিক্ষার প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। আর এইসব ভিন্নমাত্রার পেশায় সফলতার হার অনেক বেশি। অ্যাভিয়েশন সেক্টরে রয়েছে চাকরির বিশাল সম্ভাবনা। সরকারি ও বেসরকারি দুই জায়গাতেই চাকরির ক্ষেত্র বিদ্যমান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিদেশি এয়ারলাইন্সে যোগ্যতা অনুযায়ী ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তো রয়েছেই। ছোটবেলা থেকেই মাহফুজের ইচ্ছা ছিল অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। ২০০৮ সালে নটরডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর সে কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হন। এখান থেকে ২ বছর ব্যাচেলর ইন অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর তিনি বর্তমানে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে ইউএসএ-এর বিখ্যাত উইশিটা ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন।
আকিব ইকবাল ২০০৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হন। এখান থেকে হায়ার ন্যাশনাল ইন অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে তিনি বর্তমানে ইউকে-এর বিখ্যাত কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন। ডা. হাকিকুর রহমানের মেয়ে সাওসান রহমান ২০০৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজিতে অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হন। এখান থেকে হায়ার ন্যাশনাল ইন অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে তিনি বর্তমানে পর্তুগালের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েরা ইনটেরিয়রে অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছেন। অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরগুলোতে :৮৯৯১৩৭১, ০১৯৩৭১৮২৪৭০। এই ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেভেল-৩ বা ‘এ’ লেভেল করতে সর্বমোট খরচ পড়বে মাত্র ৩,০০,০০০ টাকা, ১৮ মাস লেভেল-৫ করতে সর্বমোট খরচ পড়বে মাত্র ৫,৫০,০০০ টাকা এবং ১ বছর ইউকেতে কিংসটন ইউনিভার্সিটিতে টপ আপ বিএসসি করতে কিংসটন ইউনিভার্সিটির ১ বছরের টিউশন ফিস দিতে হবে। তবে টিউশন ফিস সেমিস্টার ওয়াইজ পে করতে হবে।
আমাদের টিচাররা সবাই ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড তাই পড়াশোনার মান ভালো। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এ বিষয় নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজি, উত্তরা :সেক্টর-১১, রোড-০২, বাড়ি-১৪, উত্তরা, ঢাকা। ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা সব সময়ই বেশি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন শিক্ষার্থীকে এসএসসি অথবা ‘ও’ লেভেল পাস করার পর এইচএসসি অথবা ‘এ’ লেভেল পাস করতে ২ বছরের অধিক সময় লাগে তারপর বুয়েট কিংবা অন্য কোথাও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে কমপক্ষে ৪-৫ বছর লাগবে। সুতরাং একজন শিক্ষার্থীকে সর্বমোট ৭-৮ বছর সময় দিতে হচ্ছে চাকরি পাওয়ার পূর্বেই। আবার সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সেভাবে জব পাওয়া সহজলভ্য হয় না। অন্যদিকে একজন শিক্ষার্থী অ্যারোনোটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে থাকা (ফাইনাল ইয়ার) অবস্থাতেই চাকরির লিখিত নিশ্চয়তা পাবেন। ভর্তির সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার ফটোকপি এবং প্রয়োজনীয় ফি।
