প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
প ড়া র ব ই
ড্রাকুলা
ট্রানসিলভেনিয়ার দুর্গম অঞ্চলে পাহাড়-চূড়ায় বিশাল এক প্রাচীন দুর্গে তার বাস। দুর্গের নিচের এক অন্ধকার কামরায়-কফিনের ভিতর। কে সে? কাউন্ট ড্রাকুলা। তরুণ ইংরেজ আইনজীবী জোনাথন হারকার একটা রিয়েল এস্টেট লেনদেনের ব্যাপারে ইউরোপের ট্রানসিলভেনিয়ায় কাউন্ট ড্রাকুলার দুর্গে রওনা হন। পথে তাকে অনেকভাবে সাবধান করা হয়, মানা করা হয় ওই দুর্গে যেতে।
এগিয়ে চলে কাহিনী।
কেন পড়বেন :বৃদ্ধ ড্রাকুলা কেন ধীরে ধীরে যুবকে পরিণত হচ্ছে? কেন পৃথিবীতে এত মেয়ে থাকতে মিনার পেছনে লেগেছে ড্রাকুলা? শেষ পর্যন্ত কি ঘটতে যাচ্ছে হারকার, মিনা আর ড্রাকুলারের ভাগ্যে? জানতে হলে পড়া চাই মজার এই বইটা।
দে খা র ছ বি
এক্সাম
ছবির কথা :একটা রুম। তাতে মোট আটজন প্রতিযোগী-চারজন পুরুষ, চারজন নারী। সবার টেবিলে একটা করে উত্তরপত্র। ইনভিজিলেটর মোটা কণ্ঠে পরীক্ষার নিয়মাবলি জানিয়ে দিলেন, বড়ই অদ্ভুত সে নিয়ম। উত্তরপত্র ‘স্পয়েল’ করলে ডিসকোয়ালিফায়েড, ইনভিজিলেটর বা রুমে কর্তব্যরত গার্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ডিসকোয়োলিফায়েড, যেকোনো কারণেই হোক না কেন রুম থেকে বের হলে ডিসকোয়ালিফায়েড। সময় আশি মিনিট। পরীক্ষার শুরু হলে দেখা গেল প্রশ্নটাই লেখা নেই কোথাও। তার মানে, প্রশ্নটা খুঁজে বের করে তারপর সঠিক উত্তর দিতে হবে।
কেন দেখবেন :স্টোরি আর স্ক্রিপ্ট বোঝার জন্য এটি অনেক ভালো সিনেমা। দেড়টি ঘণ্টা একটি রুমের কাহিনী নিয়ে দর্শককে চেয়ারে বসিয়ে রাখা খুব সহজ কাজ নয়!
গু ণী জ ন
সেলিম আল দীন
সেলিম আল দীনের জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট। বাবা চাকরি সূত্রে সেলিম আল দীনের ভ্রমণ হয় দেশের নানা জায়গায়। বড়লেখা, আখাউড়া, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট, ঢাকা। ছোটবেলা থেকেই তিনি তার বয়সীদের এমনকি বয়স্কদের কাছেও প্রখর কোনো চরিত্র ছিলেন। ছুটে বেড়িয়েছেন গ্রামের পর গ্রাম, আবিষ্কারের তাড়নায় তিনি ছিলেন অস্থির। অষ্টম শ্রেণীতেই পড়ে ফেলেছিলেন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’। চলন্তিকা বইঘরের দশ টাকার অভিধান কিনে ফেললেন এই মহাকাব্য পড়ার জন্য। তিনি নিজেই বলেছেন, এই পাঠ তার ভেতর আরেক সেলিম আল দীনের জন্ম দেয়। তিনি এরপর তার বেড়ে ওঠার জীবনে রূপ বদলেছেন অনেকবার। বাংলা নাটকের আঙ্গিক বদল করেছেন একের পর এক। জন্ম দিয়েছেন তিনি নতুন নতুন শিল্পধারার।
ত থ্য ক ণি কা
আইফেল টাওয়ার
ফ্রান্সের প্যারিস শহরে আইফেল টাওয়ার বা মিনারটি আসলেই পৃথিবীর কোন স্থাপনা নির্মাণের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনাই বটে। ১৮৮৭ সালে ফ্রান্স সরকার যখন ফরাসি বিপ্লবের স্মৃতি শর্তবাষিকী পালনের তোড়জোড় করছিলেন তখন সেই ঘটনাটিকে স্মরণীয় এক নিদর্শনে ধরে রাখার জন্যই এই প্রতীক মিনারটি তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তারা। বিখ্যাত সেতু প্রকৌশলী ‘আলেকজান্ডার গুসটাভ আইফেল’ পেটা লোহার খোলা জাফরি দিয়ে ৩০০ মিটার ( ৯৮৪ ফুট ) উঁচু এই নিখুঁত ও চমত্কার মিনারটি নির্মাণ করেন। তার নামানুসারেই মিনারটির নাম রাখা হয়েছিল ‘আইফেল টাওয়ার’।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, ১৮৮৯ সালের ৩১ মার্চে মাত্র দুই বছর, দুই মাস, দুই দিনে টাওয়ারটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল।
তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন www.face book.co m/torun.k ontho
