সাংবাদিকের ওপর হামলা

অভয়নগরে দুই সন্ত্রাসী আটক

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৩, ২১:১৬
দৈনিক প্রথম আলোর অভয়নগর প্রতিনিধি ও কলেজ শিক্ষক মাসুদ আলমের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় স্থানীয়জনতা দুইজন সন্ত্রাসীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ তাদেরকে আটক করে চিকিত্সার জন্য অভয়নগর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অপর দিকে নওয়াপাড়ার প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আজ শনিবার নওয়াপাড়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আহত সাংবাদিক মাসুদ আলম বলেন- উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পরিতোষ কুমার বিশ্বাসের দুর্নীতির খবর পত্রিকায় প্রকাশ করায় চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সড়াডাঙ্গা ব্রিজের কাছে জোরপূর্বক ইজিবাইক থেকে নামিয়ে তার উপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় ওই সাংবাদিকের বাম হাত ও বাম পা ভেঙ্গে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন অংশ থেতলে যায়। বর্তমানে তিনি যশোর সদর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। আজ শনিবার তার হাত ও পায়ে অস্ত্র পাচার করা হবে বলে চিকিত্সকরা জানিয়েছেন। পুলিশ জানায়-সাংবাদিকের উপর হামলাকারী ধোপাদী গ্রামের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ছিনতাই, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি আব্দুল হান্নান (২৪) ও মনিরুল ইসলামকে (২৮) স্থানীয়জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাদেরকে আটক করে চিকিত্সার জন্য অভয়নগর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তবে হামলার নেতৃত্বদানকারী ধোপাদী গ্রামের মাদক সম্রাট, হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি আবু সুফিয়ানকে (২৫) আটক করতে পারেনি পুলিশ। সাংবাদিকের উপর হামলার কথিত নির্দেশদাতা ইউপি চেয়ারম্যান পরিতোষ কুমার বিশ্বাস বহাল তবিয়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে সাংবাদিকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এবং নির্দেশদাতা ইউপি চেয়ারম্যানসহ হামলাকারীদের আটকের দাবিতে আজ শনিবার বিকেলে নওয়াপাড়া বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। সেই সাথে আন্দোলনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে উপজেলার শিক্ষক সমাজ। অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী আব্দুস ছালেক বলেন, অন্য সন্ত্রাসীদের আটকের চেষ্টা চলছে।