সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাহিনী প্রধানসহ ৩ বনদস্যু নিহত

আপডেট : ০৬ মে ২০১৯, ২০:৫৯

বাগেরহাটে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে প্রধান রানা ওরফে পান্না বাহিনীর প্রধানসহ ৩ সদস্য নিহত হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের পশুর নদীর চরপুটিয়া এলাকার খোন্তা-কোদালিয়া খালে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার সকাল ৭টা থেকে প্রায় ১ ঘন্টা ধরে চলা এই  বন্দুকযুদ্ধে দুইজন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছে।

বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থলে তল্লাশী চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে বনদস্যুদের ব্যবহৃত একটি নৌকা, ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ। নিহত ৩ বনদস্যু হলো, রানা ওরফে পান্না বাহিনীর প্রধান রানা ওরফে পান্না, জুলহাস ও কামরুজ্জামান। এদের বয়স ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।

নিহতদের মধ্যে এক মাত্র বাহিনীর প্রধান রানা ওরফে পান্নার বাড়ি বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

র‌্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানী কমান্ডার মেজর মো. শামীম সরকার জানান, বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের পশুর নদীর চরপুটিয়া এলাকার খুন্তা-কোদালিয়া খালে বনদস্যুরা অবস্থান নিয়েছে এমন গোপন খবর পেয়ে সকাল ৭টায় ওই এলাকায় র‌্যাব অভিযান শুরু করে। এ সময়ে সুন্দরবনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা বনদস্যুরা র‌্যাবের ওপর গুলি বর্ষণ করে। এক পর্যায়ে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। 

বন্দুকযুদ্ধের সময়ে ২ র‌্যাব সদস্যও আহত হয়। বন্দুকযুদ্ধ প্রায় ১ ঘন্টা পর শেষ হলে র‌্যাব সদস্যরা ওই এলাকায় তাল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিন বনদস্যু, ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি নৌকা ও বিপুল সংখ্যাক গোলাবারুদ উদ্ধার করে। এ সময়ে সুন্দরবনের জেলে, মৌয়ালসহ বনজীবীরা আহত তিনজনের মধ্যে বনদস্যু রানা ওরফে পান্না বাহিনীর প্রধান রানা ওরফে পান্না, জুলহাস ও কামরুজ্জামান বলে শনাক্ত করে। 

দ্রুত আহত দুই র‌্যাবসহ গুলিবিদ্ধ ৩ বনদস্যু সদস্যদের মোংলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাফিউল হাসান তাদের তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুনঃ কালিহাতীতে অগ্নিকাণ্ডে তুলা গুদাম ভষ্মিভূত

নিহত তিন বনদস্যুর লাশসহ উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র-গোলাবারুদ ও বনদস্যুদের ব্যবহৃত নৌকাটি মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

ইত্তেফাক/নূহু