কৃষকদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে বলেছেন, বর্তমান ঊর্ধ্বগতির বাজার ব্যবস্থাপনা বিচারে ইতিমধ্যে ঘোষিত ধান ও চালের বাজার মূল্য বাতিল করে লাভজনক মূল্য পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। সেইসঙ্গে কৃষিপণ্যের জাতীয় মূল্য কমিশন গঠন, সরকার ঘোষিত ধানের মূল্য পুনঃনির্ধারণ ও অধিক পরিমাণ ধান ক্রয়ের ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে কর্মজীবী নারী’র নেতৃবৃন্দরা।
গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ এসব দাবি জানান এবং মানববন্ধন শেষে একটি স্মারকলিপি কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী বরাবর প্রদান করেন। ‘কৃষিপণ্যের জাতীয় জনমূল্য কমিশন কৃষক ও ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায়’ কর্মজীবী নারী এবং গ্রামীণ জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযানের (সিএসআরএল) সহায়তায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, সর্বস্তরে পুনঃনির্ধারিত মূল্য কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও মনিটরিং করতে হবে। কৃষকের স্বার্থের প্রতি লক্ষ্য রেখে দেড় লাখ টন ধান ক্রয়ের যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে তা বাড়াতে হবে। সরকারি গুদামে কৃষক কর্তৃক সরাসরি ধান সরবরাহের নিশ্চয়তা বিধানসহ সকল প্রকার মধ্যস্বত্ব সংস্কৃতি ও দুর্নীতি দূর করতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্ধারিত স্থান থেকে গুদাম কর্তৃপক্ষকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে। অবিলম্বে কৃষিপণ্যের মূল্য কমিশন গঠন করতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কর্মজীবী নারী’র নির্বাহী পরিচালক এবং জনমূল্য কমিশনের সদস্য সচিব রোকেয়া রফিক, গবেষক ও অধিকারকর্মী জীবনানন্দ জয়ন্ত, কর্মজীবী নারী’র সমন্বয়ক নাসরীন আরা, রাহেলা রব্বানী প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে রোকেয়া রফিকের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি দল কৃষিপণ্যের জাতীয় জনমূল্য কমিশন এর সভাপতি শিরীন আখতারের পক্ষে সচিবালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
