ব্যাংকের ঝুঁকি কমাতে দরকার দক্ষ ট্রেজারি কার্যক্রম

আপডেট : ০৬ মে ২০১৯, ২১:৪১

বিআইবিএমের কর্মশালা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

২০১৮ সালে ট্রেজারি সংক্রান্ত বিভিন্ন সূচকগুলো যেমন লিকুইডিটি, ফরেন এক্সচেঞ্জ, এডি রেশিও, মূলধন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিকাংশ ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগ ছিল সফল। যা ব্যাংকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করেছে। গতকাল বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেখা গেছে।

রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘ট্রেজারি অপারেশনস অব ব্যাংকস’ শীর্ষক  বার্ষিক পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস. এম. মনিরুজ্জামান। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী।

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইবিএম-এর ড. মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো, আলী হোসেন প্রধানিয়া, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটস মুহিত রহমান, বিআইবিএম-এর অনুষদ সদস্য এবং সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এম. বারিকুল্লাহ।

কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএম-এর অধ্যাপক মো. নেহাল আহমেদ। গবেষণা দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বিআইবিএম-এর লেকচারার রিফাত জামান সৌরভ, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব ট্রেজারি মেহেদী জামান এবং ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের হেড অব ট্রেজারি আরিকুল আরেফিন।

দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৫০টি ব্যাংকের কাছে তথ্য চাওয়া হলেও ২০টি ব্যাংক তথ্য সরবরাহ করেছে। এসব তথ্য থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এ প্রতিবেদন তৈরিতে ব্যাংকের কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশনা, প্রজ্ঞাপন প্রভৃতি সেকেন্ডারি তথ্যের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।