সফলতার প্রথম সিঁড়ি ইন্টারভিউ

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৩৬
সফলতার প্রথম ধাপ হলো ইন্টারভিউ। এক কথায় বলতে গেলে কর্মজীবনের প্রথম সিঁড়ি এটি। প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বোর্ডের সামনে চাকরিপ্রার্থীরা টেনশনে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। আদৌ কি ইন্টারভিউকে অত ভয় পাওয়ার কিছু আছে? অনেক ভালো শিক্ষার্থীও ইন্টারভিউতে শংকিত হয়ে পড়ে। কিন্তু ইন্টারভিউকে এত ভয় পাওয়া কেন? যে উত্তরটা খাতা-কলমে লিখতে তত সময় লাগে না, সেটাই সামনা-সামনি ছুঁড়ে দিলে কুপোকাত হয়ে যান অনেকেই। তা হলে যারা কাঁপতে কাঁপতে ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে উপস্থিত হন, তাদের কি কোনো আশাই নেই? আছে, নিশ্চয়ই আছে। স্ট্র্যাটেজি বদলান, সফল হবেন। যথেষ্ট প্রস্তুতি ছাড়া ইন্টারভিউতে বসা, উগ্র ও রুক্ষ পোশাক, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি আগে বা পরে উপস্থিত হওয়া, অস্পষ্ট বা অশালীন ভাষা ব্যবহার করা, একগুয়েমি মনোভাব প্রদর্শন, মুদ্রাদোষের পুনরাবৃত্তি প্রভৃতি এড়িয়ে চলুন ইন্টারভিউ বোর্ডে। টেলিফোনিক ইন্টারভিউ’র ক্ষেত্রে গলার স্বর এবং কথা বলার ধরন গুরুত্বপূর্ণ। তাই কথা বলার সময় মুখে খাবার বা চুইংগাম থাকা সৌজন্যহীনতার পরিচয়। নিজের সম্বন্ধে কিছু বলুন, আপনার দুর্বলতা কী, কেন আমরা আপনাকে বেছে নেব, আজ থেকে পাঁচ-সাত বছর পরে আপনি নিজেকে কোন অবস্থানে দেখতে চান—এরকম কিছু প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন। এসব প্রশ্নের উপরে আপনার নিয়োগ অনেকটাই নির্ভর করে থাকে।